ওঙ্কার ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থামাতে দু সপ্তাহের জন্য সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয়েছিল ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু লেবাননে ইজরায়েলের হামলা যুদ্ধ পুনরায় শুরু হতে চলেছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়েই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার পরেও তেহরান ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রয়েছে। তা সত্ত্বেও উভয় পক্ষই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে বিজয় হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কিন্তু লেবাননে হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর ওপর ইজরায়েল হামলা করার পর পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠেছে। সে দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকায়ও আঘাত হানে নেতানিয়াহু বাহিনী। উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে বৈরুতের আবাসিক এলাকাগুলোতে পরপর পাঁচটি হামলা চালায় ইজরায়েলি সামরিক বাহিনী। তারা জানিয়েছে, এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় সমন্বিত হামলা চালিয়েছে তারা। দশ মিনিটের মধ্যে নেতানিয়াহু বাহিনী বৈরুত, বেকা উপত্যকা এবং দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর ১০০টিরও বেশি কমান্ড সেন্টার ও সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়। লেবাননের তরফে জানানো হয়েছে, মোট ২৫৪ জন নিহত হয়েছেন। জখম হয়েছেন ১,১০০ জনেরও বেশি। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে বৈরুতে, এই শহরে ৯১ জন নিহত হয়েছেন। লেবাননের এক ঊর্ধ্বতন কর্তা জানিয়েছেন, ইজরায়েল বুধবার দক্ষিণ লেবাননকে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সেতুতেও হামলা চালিয়েছে। সেতুটি লিতানি নদীর উপর ছিল। এই নদীটি ইজরায়েল সীমান্তের প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তরে বয়ে গেছে।
অন্য দিকে লেবাননে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং হত্যালীলার প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান। ইতিমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান।