ওঙ্কার ডেস্কঃ ১৭ ঘণ্টা পরেও আনন্দপুরের নাজিরাবাদের গোডাউনে ধিকিধিকি আগুন জ্বলছে। ধোঁয়ায় ঢেকে রয়েছে এখনও ভিতরের অংশ। উদ্ধারকাজ যাতে থমকে না যায়, সে জন্য ঘটনাস্থলে আনা হয়েছে একাধিক অস্থায়ী ইলেকট্রিক খুঁটি। দেওয়াল ভাঙার কাজে নামানো হয়েছে জেসিবিও। আনন্দপুরের অগ্নিকান্ডে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
সূত্রের খবর, ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, নিখোঁজের সংখ্যাও ১৩ ছুঁতে পারে। ইতিমধ্যে অন্তত ২০ জন নিখোঁজের পরিবার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন বলেও জানা যাচ্ছে।
সোমবারের অগ্নিকান্ডের ঘটনায় রাজ্য সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করে টুইট করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, ‘বিভিন্ন সূত্রে অত্যন্ত উদ্বেগজনক খবর পাওয়া যাচ্ছে, আনন্দপুরের এই ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৩০ জনের কাছাকাছি মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে! কিন্তু রাজ্যের অপদার্থ প্রশাসন এবং পুলিশ বাহিনী সব কিছু লুকোতে ব্যস্ত। ঘটনাস্থলে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু না যাওয়ায় ও প্রশ্ন তুলেছেন সুকান্ত।
সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থলে আসেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ঘটনাস্থলে রয়েছেন স্থানীয় সাংসদ সায়নী ঘোষ। তিনি বলেন, ক’জন আটকে ছিলেন, ক’জন মারা গিয়েছেন, ধোঁয়া পুরোপুরি না কাটলে এখনই নিশ্চিত করে বলা ঠিক নয়। উদ্ধার শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত।
সূত্রের খবর, রবিবার রাতে আগুন লাগে পাশের একটি ডেকরেটার্স সংস্থার গুদামে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে সেখানে। তেল, গ্যাস ও দাহ্য সামগ্রী দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছয় দমকল। কিন্তু সময় যত গড়ায়, আগুন ততই ভয়ংকর হয়ে ওঠে।
