ওঙ্কার ডেস্ক: আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছিল বিমানের মধ্যে থাকা ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জনের। সেই ঘটনায় একমাত্র জীবিত ছিলেন বিশ্বাসকুমার রমেশ। কিন্তু দুর্ঘটনার চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও কেমন আছেন রমেশ? এই বিষয়ে জানতে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছিলেন সাংবাদিকরা। ভাগ্যকে জয় করে ফেরা ওই জীবিত যাত্রী জানালেন, এখনও আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে পারেননি তিনি।
বিশ্বাসকুমার রমেশ বলেন, চোখ বন্ধ করলেই অভিশপ্ত সেই দিনের কথা মনে পড়ছে। শরীরের ক্ষত সেরে গেলেও মানসিক ভাবে তিনি এখনও বিপর্যস্ত। নিস্তব্ধ হয়ে জীবন যাপন করছেন তিনি। উল্লেখ্য, গত জুন মাসে দুর্ঘটনার পর রমেশের চিকিৎসা হয় ভারতে বেশ কিছুদিন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে তিনি ফিরে যান ব্রিটেনে। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই যুবক বলেন, ‘আমিই একমাত্র বেঁচে ফিরেছি। এটা অলৌকিক ঘটনা, তা আমি মনে করি না। এই দুর্ঘটনায় আমি আমার ভাইকে হারিয়েছি। বর্তমানে আমি নিঃসঙ্গ। বেশির ভাগ সময় একাই আমি ঘরে বসে থাকি। স্ত্রী-পুত্রের সঙ্গেও কথা বলতে ইচ্ছে করে না।’
উল্লেখ্য, গত ১২ জুন দুপুরে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে গুজরাটের আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছে একটি মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলের উপর ভেঙে পড়ে। বিমানটিতে ২৪২ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২৪১ জন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ছিলেন রমেশের ভাই অজয়। কিন্তু বিমানের ১১এ আসনের যাত্রী রমেশ আশ্চর্যজনকভাবে বেঁচে যান।
