ওঙ্কার ডেস্ক: বিমান দুর্ঘটনায় বুধবার মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। তাঁর সঙ্গে বিমানে থাকা আরও চার জনও নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ সেই দুর্ঘটনার মুহূর্তের ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা দেখে বারামতিতে ভেঙে পড়া সেই বিমানের দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পিছনে তিন কারণ থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞরা যে তিন সম্ভাবনার কথা বলছেন, সেগুলি হল অ্যারোডাইনামিক স্টল, হার্ড ব্যাংক, ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়া। অ্যারোডাইনামিক স্টলের তত্ত্বের কথা যাঁরা বলছেন, তাঁদের মত হল লিয়ারজেট ৪৫ যে বিমানটি ভেঙে পড়েছে, এই ধরনের বিমানে ইঞ্জিন থাকে লেজের কাছে। তাই ধীর গতিতে উড়তে গেলে একটি ডানা আগে লিফট হারায়, অন্যটি পরে। ফলে বিমান আচমকা ঘুরে আছড়ে পড়ে। শেষ মুহূর্তে রানওয়ে দেখতে পাওয়ার পর পাইলট তীব্র বাঁক নিয়ে রানওয়ের সঙ্গে মিলতে চেয়েছিলেন বলে মনে করছেন কেউ কেউ।
ইঞ্জিন বিকল হয়ে বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের মতে বিমানের একটি ইঞ্জিন হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে অসম থ্রাস্টের কারণে বিমান একদিকে ঘুরে যেতে পারে। একটি ইঞ্জিনের শক্তি হারালে বিমানে ‘ইয়াও’ তৈরি হয়, যা সঙ্গে সঙ্গে রাডার দিয়ে ঠিক করতে হয়। তা না করলে বিমান কাত হয়ে পড়ে। এ সবই অনুমানের ভিত্তিতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রকৃত কারণ জানা যাবে তদন্ত সম্পন্ন হলে। ইতিমধ্যে বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো (এএআইবি)-র একটি দল দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ফরেনসিক তদন্তও শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিমানটির ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করা হয়েছে। তার মধ্যে থাকা তথ্য বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে।
