ওঙ্কার ডেস্ক : রাঁচির গোন্ডা থানা এলাকায় একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পর্দাফাঁস করলো পুলিশ। এই ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার রাঁচি পুলিশ সূত্রে এই খবর মিলেছে। রাঁচি পুলিশের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের কাছ থেকে বিপুল সংখ্যক ব্যাঙ্ক পাসবুক, ডেবিট কার্ড, চেক বই, মোবাইল ফোন এবং আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।
গোন্ডা থানায় একটি মামলা (নং ৬৮/২৬) দায়ের করা হয়েছে। আরও তদন্ত চলছে। রাঁচির
সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ রাকেশ রঞ্জন জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২৮ মে রাত প্রায় ৮টার দিকে রাঁচি পুলিশ গোন্ডা থানার ধাওয়ান নগরের চাঁদনি চকের কাছে রক ভিউ অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালায়। তখন একটি ফ্ল্যাট থেকে সাইবার জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত একদল যুবক হাতেনাতে ধরা পড়ে। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান ছিল। ওই অভিযানে নেতৃত্ব৩ দেন সদর থানার ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ। সঙ্গে ছিলেন গোন্ডা থানার এসএইচও অভয় কুমার সিনহা, সাব-ইন্সপেক্টর সানি কুমার ও ওম প্রকাশ প্রসাদ, সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর রামজনম প্রসাদ এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা।
তল্লাশির সময় পুলিশ বিভিন্ন নামে ইস্যু করা ৫০টি ব্যাঙ্ক পাসবুক, ২৬টি ডেবিট কার্ড, আটটি চেক বই, ১৩টি মোবাইল ফোন এবং তিনটি আধার কার্ড উদ্ধার করে। তাদের সমস্ত জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্তরা জানায়, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য জাল পরিচয়পত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, যা পরে সাইবার জালিয়াতি চালানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।
তারা আরও জানিয়েছে, ফ্ল্যাটটি ‘নিখিল ভাইয়া’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির ছিল, যিনি তাদের সেখানে ডেকে সাইবার অপরাধ করার প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। যাদের হাতেনাতে পুলিশ গ্রেফতার করেছে তারা হল – জামতারা থেকে কাজল কুমার মণ্ডল, রামগড় থেকে আনন্দ কুমার ও শাকিব আনসারি, বোকারো থেকে বিকি কুমার এবং রামগড়ের একজন নাবালক।
পুলিশ এখন বৃহত্তর চক্র এবং অন্যান্য পলাতক অভিযুক্তদের খুঁজে বের করার জন্য তদন্ত চালাচ্ছে।