ওঙ্কার ডেস্ক: গত ৪ মে ভোটের ফল ঘোষণার দিন ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা এলয়াকায় এক বিজেপি কর্মীকে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। তাতে নাম জড়ায় ওই কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক পরেশ রাম দাসের দাদার। শুক্রবার রাতে সেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বিজেপি কর্মীকে খুনের চেষ্টার ঘটনায় মদত দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ধৃতের নাম উত্তম দাস। শুক্রবার রাতেই তাঁকে বাড়ির সামনে থেকে পাকড়াও করে পুলিশ। ক্যানিং ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন উত্তম। এলাকার দাপুটে নেতা হিসেবে পরিচিত। গ্রেফতারের পর তাঁর অনুগামীরা রাতেই থানার সামনে জড়ো হয়। যদিও পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে দিতে সক্ষম হয়। ঠিক কী অভিযোগ উত্তমের বিরুদ্ধে? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে গত ৪ মে ক্যানিংয়ের দিঘিরপাড় গ্রামে বিজেপি কর্মী অর্ঘ্যদীপ বসুকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। ওই বিজেপি কর্মীর পায়ে গুলি লাগে। সেই ঘটনায় মদত দেওয়ার অভিযোগে উত্তমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী শুক্রবার রাতে বাড়ি থেকে উত্তমকে তুলে নিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে। দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটেছে। ক্ষমতায় বসেছে বিজেপি। ২৯৩ আসনের মধ্যে ২০৭ আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে বিজেপি। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নবান্ন দখল করেছে পদ্ম শিবির। তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ৮০টি কেন্দ্র। তবে ক্যানিং পশ্চিমে তৃণমূলের পরেশরাম জয়ী হয়েছেন। তাঁর জয়ের ব্যবধান ৪০ হাজারেরও বেশি।