ওঙ্কার ডেস্ক: ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে জনযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার ডাক দিয়েছিলেন। সেই একই সুরে এবার বাংলাদেশের পরিত্যাগী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ডাক দিলেন। হাসিনার জন্মভূমি গোপালগঞ্জ এ অশান্তি ও হত্যার ঘটনার পর বুধবার মধ্যরাতে তিনি বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশে এই বার্তা দেন।
মহম্মদ ইউনুসের সরকারকে উৎখাত করতে হাসিনা এদিন মাঝরাতে এক ভিডিও বার্তা দেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি বাংলাদেশে রাজনৈতির অধিকার, গণতন্ত্র, মানবাধিকার হরণের বিষয়ে আন্তর্জাতিক দুনিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ঠিক কী হয়েছে গোপালগঞ্জে? বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ শেখ মুজিবুর রহমান এবং শেখ হাসিনার জন্মস্থান। সেখানেই রয়েছে শেখ মুজিবুর রহমানের কবর। অভিযোগ, সেই কবর বুধবার ভাঙার চেষ্টা করেছিল জাতীয় নাগরিক পার্টির কর্মী সমর্থকরা। যাতে বাধা দেন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা। শুরু হয় সংঘর্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশের সেনা বাহিনী গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেনার গুলিতে মৃত্যু হয় সাত জন আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকের।
গোপালগঞ্জের ঘটনার প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যে গোটা বাংলাদেশ জুড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের দাক দিয়েছে। একটি বিবৃতিতে দলটি বলেছে, ‘খুনি-জঙ্গি-সন্ত্রাসী-অবৈধ-ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকার, তার বখে যাওয়া কিশোর গ্যাং বাহিনী কর্তৃক পূণ্যভূমি গোপালগঞ্জের সাধারণ মানুষ, ছাত্র, শ্রমিক, নারী এবং আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীদের উপর নির্বিচারে-নিষ্ঠুরভাবে গুলিবর্ষণের মাধ্যমে ১৮ জনকে হত্যা, কয়েক শতাধিক আহত হওয়ার প্রতিবাদে এবং দেশধ্বংসকারী মাফিয়া-জালেম গোষ্ঠী ইউনূসকে চিরতরে উৎখাত করার লক্ষ্যে আসন্ন ‘ যমুনা ঘেরাও ‘ কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নিম্নোক্ত কর্মসূচি ঘোষণা করছে- ১৭ জুলাই: দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। ১৮ জুলাই: দেশব্যাপী শোক মিছিল, গায়েবানা জানাজা, শহিদের জন্য দোয়া এবং সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা।’
