ওঙ্কার ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকতে পারবেন, সংবিধান সংশোধনের এমন প্রস্তাব দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। সেই প্রস্তাবের বিরোধিতা করল বিএনপি। তবে মহম্মদ ইউনুস সরকারের আনা এই প্রস্তাব সমর্থন করেছে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বেশির ভাগ দল।
বাংলাদেশের সংবিধান সংস্কার কমিশন প্রস্তাব দেয় একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ কতবার প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার। সেই প্রস্তাবে বলা হয়, এক জন ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। অর্থাৎ ১০ বছরের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে থাকতে পারবেন না। তবে দুই বার নাকি দুই পূর্ণ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কেউ তা নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয়। কেউ দাবি করেন দুই মেয়াদের পক্ষে। আবার একটি অংশ বলে, মেয়াদ যত দিন হোক সর্বোচ্চ দুবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারবেন কেউ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমাদের প্রশ্ন, কোনও রাজনৈতিক দল যদি পর পর তিন বার জাতীয় সংসদের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তা হলে কেন তারা নিজেদের পছন্দের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী পদে বেছে নিতে পারবে না?’ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বৈঠকে বলেন, ‘এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন, এ বিষয়ে একমত।’ ইউনুস সরকার সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে এ বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছনোর চেষ্টা করলেও তাতে রাজি হল না বিএনপি।
