ওঙ্কার ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি আগেই জারি হয়ে গিয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের নির্বাচনী দায়িত্ব অর্পণও হয়ে গিয়েছে। এই আবহে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির কর্মী ও অধ্যাপকদের একাংশ। অভিযোগ, ভোটের মুখে একাধিক কর্মী ও অধ্যাপকদের বদলির নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে নালিশ জানিয়েছেন তাঁরা।
সূত্রের খবর, ইমেল মারফত জ্ঞানেশ কুমারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মীরা। সেই সঙ্গে জেলা শাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং বোলপুর মহকুমা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। কর্মীদের তরফে অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে আদর্শ আচরণবিধি রাজ্যে কার্যকর রয়েছে। তা সত্ত্বেও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ একাধিক বদলির নির্দেশ দিয়ে চলেছে। অভিযোগে লেখা হয়েছে, “কর্তৃপক্ষ কর্মী এবং আধিকারিকদের বদলির মাধ্যমে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। নির্বাচনী দায়িত্বে নিযুক্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে এই ধরনের সিদ্ধান্ত শুধু প্রশাসনিক শুদ্ধতার পরিপন্থী নয়। বরং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক গতিকেও ব্যাহত করতে পারে।”
অভিযোগকারী কর্মীদের এক জন বলেন, বীরভূম জেলায় প্রায় ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্বভারতীর বহু কর্মী ও অধ্যাপক। তার মাঝেই কর্তৃপক্ষ গত ১ এপ্রিল ৩২ জনকে বদলির নির্দেশ দেয়। তার পরদিন, ২ এপ্রিল আরও ২২ জনকে বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। ধারাবাহিকভাবে এই বদলির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ কর্মীরা।