নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসাবে সদ্য দায়িত্ব নিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। সূত্রের খবর,সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব নিয়ে নিজের টিম সাজাচ্ছেন শমীক ভট্টাচার্য। চলতি মাসের মধ্যেই টিম সাজিয়ে নেবেন তিনি। নতুন সভাপতির টিমে থাকতে বা ‘গুড বুকে’ থাকতে শুরু হয়েছে হুরুহুড়ি। সভাপতির বিশ্বস্ত বৃত্তের কাছাকাছি থাকতে চাইছেন অনেকে। জানা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই বহু রদবদল হতে চলেছে বঙ্গ বিজেপিতে।
প্রবল গোষ্ঠী কোন্দল ও দক্ষ সংগঠকের অভাবের জেরে একুশে মাত্র ৭৭ আসনে থেমে গিয়েছিল বিজেপির বিজয় রথ। তাই গোষ্ঠীকোন্দল ঠেকানো ও দক্ষ সংগঠক খোঁজা শমীকের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচন পাখির চোখ বঙ্গ বিজেপির। নয়া সভাপতি শমীকের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ এই নির্বাচনে পাশ মার্ক তোলা। সে কারণে কমিটি সাজানোয় বিশেষ নজর নয়া সেনাপতি’র। বিজেপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, রাজ্য সভাপতি তাঁর টিম সাজাতে পারেন।
রাজ্য সভাপতির পর বিজেপিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ সাধারণ সম্পাদকের পদ। তাই অনেকে মনে করছেন বদল আসতে পারে সাধারণ সম্পাদক পদে। পাশাপাশি বদল আসতে পারে বিভিন্ন মোর্চা সভাপতি পদেও। বিজেপি সূত্রে খবর, শমীক ভট্টাচার্য চার দশকের বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রীয় সংসেবক সংঘ ও বিজেপির সক্রিয় কর্মী। তাই পুরনো অনেকেই এবার বঙ্গ বিজেপির কমিটিতে ফিরে আসতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ হিসেবে অনেকে বলছেন, পুরনো কর্মীরাও যে দলে ব্রাত্য নয়, তা সভাপতি পদে শপথ নিয়ে স্পষ্ট করেছেন শমীক। তিনি বলেন, ‘পুরনো নতুন নয় যার হাতে পতাকা সেই বিজেপি। আপনি পাড়ায় প্রাসঙ্গিক কি না, মানুষ আপনাকে চেনে কি না, মানুষ আপনাকে বিজেপি বলে পরিচয় দেয় কি না, সেটাই বড় কথা।’ একুশের বিধানসভা নির্বাচনে গোষ্ঠী কোন্দল যে বাংলায় পদ্ম বিকশিত হতে দেয়নি। তা বিলক্ষণ বুঝেছেন কেন্দ্রীয় বিজেপি। তাই দলের মধ্যে এই ব্যাধি ছাব্বিশে আবার সংক্রমণ ছড়াতে যাতে না পারে তার জন্য আগে থেকেই চিকিৎসা করাতে চাইছেন নতুন রাজ্য সভাপতি। এখন দেখার কোন পদে রদবদল হয় ।
