ওঙ্কার ডেস্ক: বিবাহ সংক্রান্ত বিরোধ মামলায় প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট। শুধু তাই নয়, এ ক্ষেত্রে কল রেকর্ডিং-সহ ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক যোগাযোগও ব্যবহার করা যেতে পারে বলে নির্দেশ দিল ছত্তিসগড় হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, গোপনীয়তার অধিকার অবাধ নয়।
বিবাহ সংক্রান্ত জটিলতা মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি শচীন সিং রাজপুতের বেঞ্চে। সেই মামলায় ইলেকট্রনিক প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিচারপতি রাজপুত বলেন, গোপনীয়তার অধিকার অবাধ নয়; এটি ন্যায় বিচারের অধিকারের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ হওয়া উচিত। ঠিক কী নিয়ে মামলা? রিপোর্ট অনুসারে রায়পুরের এক বাসিন্দা পারিবারিক আদালতে তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন। স্বামী বলেন তাঁর অভিযোগ প্রমাণের জন্য স্ত্রীর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এবং অন্যান্য ব্যক্তির সঙ্গে কল রেকর্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আদালতের কাছে অনুমতি চান তথ্য রেকর্ডে নেওয়ার জন্য। যদিও ওই মহিলা স্বামীর আবেদনে তীব্র আপত্তি জানান। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর ফোন হ্যাক করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, যা গোপনীয়তার অধিকার লঙ্ঘন করেছে। যদিও পারিবারিক আদালত স্বামীর আবেদন গ্রহণ করে। যা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান স্ত্রী।
বিচারপতি রাজপুত বলেন, ‘সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের অধীনে গোপনীয়তার অধিকার গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অবাধ নয়। ন্যায় বিচারের অধিকারও বিচার ব্যবস্থার একটি মৌলিক উপাদান। যদি কেবল গোপনীয়তার ভিত্তিতে প্রাসঙ্গিক প্রমাণ আটকে রাখা হয়, তাহলে আদালত সত্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবে না।’
