ওঙ্কার ডেস্ক: সিঙ্গুরের জনসভা শেষে দিল্লি ফেরার আগে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে স্বল্প সময়ের জন্য সাক্ষাৎ ও কথোপকথন হয় বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। আচমকা এই সাক্ষাৎকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক শিবিরে।
সূত্রের খবর, বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে দেখেই এগিয়ে যান দিলীপ ঘোষ। দু’জনের মধ্যে সৌজন্যমূলক কুশল বিনিময় হয়। প্রধানমন্ত্রী দিলীপ ঘোষের খোঁজখবর নেন, পাশাপাশি তাঁর শারীরিক অবস্থার বিষয়েও জানতে চান। উত্তরে দিলীপ ঘোষও প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন। কথোপকথন খুব দীর্ঘ না হলেও, তা ছিল আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ বলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি।
এই সাক্ষাৎ এমন এক সময়ে ঘটল, যখন রাজ্য বিজেপির অন্দরমহলে দিলীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। রাজ্য সভাপতি পদ ছাড়ার পর সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁকে তেমনভাবে দেখা যায়নি। এমনকি সিঙ্গুর ও মালদহে প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চেও তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে দলের অন্দরেই আলোচনা শুরু হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে বিমানবন্দরের এই সাক্ষাৎকে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে উড়িয়ে দিতে নারাজ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।
দলের অভ্যন্তরীণ সূত্রে ইঙ্গিত, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দিলীপ ঘোষের যোগাযোগ কিছুটা বাড়ছে। রাজ্য রাজনীতিতে তাঁর অভিজ্ঞতা ও সংগঠনিক দক্ষতা এখনও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে দল। সেই আবহেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই সাক্ষাৎ নতুন করে তাৎ পর্য পাচ্ছে। কলকাতা বিমানবন্দরের এই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ রাজ্য বিজেপির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জল্পনা। এখন নজর থাকবে আগামী দিনে দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক ভূমিকা ও দলীয় কর্মসূচিতে তাঁর উপস্থিতির দিকেই।
