ওঙ্কার ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত ঘিরে ফের বিতর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউক্রেনকে রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা না করার পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর এই বার্তা ঘিরে ইউরোপের বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যেখানে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে রাখায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হয়েছে, সে ক্ষেত্রে নিজেদের দিকে না তাকিয়ে কেন ইউক্রেনকে পরামর্শ দিচ্ছেন ট্রাম্প, মূলত তা নিয়েই শুরু হয়েছে চর্চা।
আয়ারল্যান্ড সফরে গিয়ে রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানেই ইউক্রেনের সামরিক অভিযানের বিষয়ে নিজের অবস্থান জানান তিনি। ট্রাম্পের বক্তব্য, রাশিয়ার তেল শোধনাগারকে নিশানা করা উচিত নয় কিয়েভের। তবে অন্য সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা নিয়ে আপত্তি নেই তাঁর। ট্রাম্প বলেন, নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে ইউক্রেন হামলা চালাতে পারে। কিন্তু জ্বালানি পরিকাঠামোকে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়। তাঁর মতে, এমন হামলার কারণে ডিজেলের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।
ট্রাম্পের এই যুক্তি নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন সমালোচকেরা। কারণ, একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যেও তৈরি হয়েছে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ। হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজারে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেখানে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার সামরিক অভিযানও চলছে। তবে এই দুই পরিস্থিতিকে এক করে দেখতে নারাজ ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষেত্রে জ্বালানি সঙ্কটের জন্য যুদ্ধকে দায়ী করার যুক্তি তিনি নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, বর্তমান জ্বালানি সমস্যার অন্যতম কারণ রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত।