ওঙ্কার ডেস্ক: ভুতে কম বেশি অনেকেই বিশ্বাস করেন আবার অনেকেই এই বিষয়ে পড়াশোনা করতেও ভালবাসেন। আর তেমন গল্প যদি সিনেমার পর্দায় দেখা যায় তা ভুতপ্রেমীদের বাড়তি পাওনা। শুভ-অশুভ শক্তির লড়াই চলে আসছে বহু যুগ ধরে ৷ খারাপ যা চোখে দেখা যায়, তার সঙ্গে লড়াই করা সহজ৷ কিন্তু যা চোখে দেখা যায় না, সেই অশুভ শক্তিকে পরাজয় করা সম্ভব কীভাবে? ভয়, অনিশ্চয়তা ও পাপবোধ এমনই এক অনুভূতির দোলাচলে দর্শকদের নতুন গল্প উপহার দিয়েছন পরিচালক অরুনাভ খাশনবিশ৷ ইতিমধ্যেই মুক্তি পেয়েছে ‘আমিষ’৷ স্বল্পদৈঘ্যের এই সিনেমার চরিত্রদের প্রথম ঝলক ও পোস্টার আগেই প্রকাশ্যে এসেছে৷
কলকাতা থেকে কাজের সূত্রে এক তরুণী চন্দনপুরে আসে সে। পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। শহরের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে ছোট্ট শহরে প্রথমে খানিক অস্বস্তি হলেও, মায়ের পরামর্শেই পা বাড়ায় শৈশবস্মৃতিতে ভরা দাদু-দিদার পুরনো বাড়িতে। তারপর থেকেই গল্প নতুন মোড় নেয়। ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, “আমিষ আমার কাছে ভয়ের গল্প নয়, বরং অপরাধবোধ আর শ্রেণীভেদের গল্প। এখানে ভৌতিকতা জন্মায় মানুষের ভেতরের ক্ষুধা আর লোভ থেকে।” সিনেমায় প্রীতি সরকারকে দেখা যাবে মুখ্য চরিত্রে ৷ প্রীতির চরিত্র সম্পর্কে পরিচালক বলেন, “প্রীতির চরিত্র আসলে আমাদের সবার ভেতরের মুখ ৷ দিনের আলোয় নিরামিষ, অথচ রাতের অন্ধকারে দিদার সাজানো আমিষ থালা। এই দ্বৈততার ভেতরেই লুকিয়ে থাকে আমাদের অপরাধ, আমাদের ফেলে আসা পাপ। সিনেমাটির প্রযোজনায় রয়েছেন গৌরব তপাদার ৷ যিনি সোশাল মিডিয়ায় ভীষণই জনপ্রিয় ৷ তাঁর শো ‘প্রেতকথা’ ভীষণ জনপ্রিয়৷ প্রযোজক গৌরব বলেন, “প্রেতকথার বয়স 5 বছর। বিগত এই 5 বছরে কয়েক হাজার ঘটনা পাঠ করেছি। ‘আমিষ’এর নিজের একটা গল্প রয়েছে সেই ভাবনা থেকেই প্রেতকথা থেকে এই গল্পকে বেছে নেওয়া। যারা হরর বিষয়টা ভালবাসেন, দেখতে শুনতে ভালোবাসে এই গল্প তাঁদের নিশ্চয়ই ভালো লাগবে। ‘আমিষ’ তৈরি হয়ে গেল সাহস আর আমাদেরই একটি এপিসোডের ঘটনার উপর ভর করে। 30 মিনিটের এই স্বল্প দৈঘ্যের ‘আমিষ’ সিনেমা মুক্তি পেয়ে গিয়েছে গৌরব তপাদারের ‘প্রেতকথা’ ইউটিউব চ্যানেলে এবং ইতিমধ্যেই যা ১৩ লক্ষেরও বেশি দর্শকের মন কেড়েছে৷
