ওঙ্কার ডেস্ক: অবশেষে উপস্থিত সেই দিন, ১৪ আগস্ট। ৯বছর পর মুক্তি পেল ‘ধূমকেতু’। দেব এবং শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবি ইতিমধ্যেই সাফল্য রচনা করেছে বক্স অফিসে। ভোররাত থেকে প্রেক্ষাগৃহে মানুষের ভিড়। প্রিয় জুটির প্রত্যাবর্তনের উদযাপন।
তবে বৃহস্পতি-সকালে একটি পোস্ট করেন রাজ চক্রবর্তী। স্ত্রী শুভশ্রী এবং ছবির গোটা টিমকে শুভেচ্ছে জানিয়ে লেখেন, ‘এত বছরের প্রতীক্ষা শেষ। ‘ধূমকেতু’ উদযাপন শুরু। প্রত্যেক হলে হলে উন্মাদনা চোখে পড়ার মত। দেব-শুভশ্রী,কৌশিক গাঙ্গুলীসহ গোটা টিমকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। কেউ বড়পর্দায় ধূমকেতু মিস করবেন না যেন!’
দেবের সঙ্গে শুভশ্রীর সমীকরণ সকলেরই জানা। পুরনো অতীতকে পিছনে ফেলে ছবির স্বার্থে জুটি বেঁধে প্রচার করেছেন নায়ক-নায়িকা। যাবতীয় চর্চা-বিতর্ক উড়িয়ে স্ত্রীর পাশে থেকেছেন রাজ। প্রায় এক দশকের অপেক্ষার পর যখন সেই ছবি মুক্তি পেল, নায়িকার মতোই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তাঁর স্বামী। অন্যদিকে, ‘ধূমকেতু’র মুক্তির দীর্ঘ অপেক্ষায় দেবের পাশে ছিলেন প্রেমিকা রুক্মিণী মৈত্র। একাধিক সাক্ষাৎকারে সে কথা জানিয়েছেন নায়িকা। কিন্তু ছবিমুক্তির দিনই মুখে কুলুপ অভিনেত্রীর, তাঁর নীরবতা যেন বড়ই তীব্র। নেটমাধ্যমে একেবারে চুপ তিনি। দেব যদিও ছবির প্রচারে নৈহাটির বড়মার কাছে গিয়ে পরিবারের সঙ্গেই পুজো দিয়েছেন প্রেমিকার নামেও। তবু যেন নায়কের জীবনের এত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিনে নৈঃশব্দকেই আঁকড়ালেন তাঁর মনের মানুষটি।
সম্প্রতি দাদুকে হারিয়েছেন রুক্মিণী। কাছের মানুষের প্রয়াণে মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত তিনি এবং তাঁর পরিবার। রুক্মিণীর জীবনের অনেকটা জুড়ে ছিলেন তাঁর দাদু। তিনি জানান, “সদ্য দাদুকে হারিয়েছি। আমি এবং আমার পরিবার এই শোক কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।”
কিন্তু ‘ধূমকেতু’ প্রথম দিনেই ম্যাজিক দেখিয়েছে। ইতিমধ্যেই ছবির একাধিক শো হাউজফুল। দর্শকের ভালবাসায় আপ্লুত দেব ও তাঁর টিম। ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি নায়ক। একটি পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, ‘এ তো সবে শুরু! পিকচার আভি বাকি হ্যায়।’
