ওঙ্কার ডেস্কঃ চাপে পড়েই মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে সই করেছেন মোদী, এমনটাই জানালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। একদিকে এপস্টেইন বিতর্ক অন্যদিকে মার্কিন আদালতে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে মামলা, সব নিয়েই চাপে মোদী।
এপস্টেইন ফাইলে মোদীর নাম থাকার বিষয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেস। কিছুদিন আগে তৃণমূলও এইবিষয়ে সোচ্চার হয়েছিল। যদিও বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ-দাবিই ভিত্তিহীন এবং অবমাননাকর। রাহুলের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে আপস করতে হয়েছে! তার কারণ, আমেরিকায় আদানিজির বিরুদ্ধে মামলা চলছে। এই মামলা আদতে মোদিজির বিরুদ্ধেও। তা ছাড়া এপস্টেইল ফাইলসে আরও অনেক কিছু আছে, যা এখনও প্রকাশ করেনি আমেরিকা। এটা নিয়েও চাপ রয়েছে। এই দু’টিই হল চাপের কারণ। মোদিজী ফ্যাসাদে পড়েছেন। গত কয়েক মাস ধরে বাণিজ্যচুক্তি আটকে ছিল। গত রাতে তাতে সই করে দিলেণ তিনি।
প্রসঙ্গত, সোমবার গভীর রাতে ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকার রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো গোর জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে। তার কিছু ক্ষণের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ভারত-আমেরিকার মধ্যে বহু দিন ধরে ঝুলে থাকা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিতে দু’দেশ সম্মত হয়েছে।
তবে এই বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নানান ধোয়াশা রয়েছে। একাধিক প্রশ্ন উঠছে এই ভারত আমেরিকা চুক্তি নিয়ে। বাণিজ্যচুক্তিতে কারা স্বাক্ষর করেছেন? প্রধানমন্ত্রী নিজে না কি অন্য কেউ? যে যে বিষয়গুলি নিয়ে বিবাদ ছিল, সেগুলি নিয়ে কী ধরনের সমঝোতা হল, সেই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে।
