স্পোর্টস রিপোর্টার : দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে টেস্ট সিরিজ হারের পর একের পর এক সমালোচনায় ভারতের কোচ যে ক্ষুব্ধ ছিলেন, শনিবার ওয়ানডে সিরিজ জেতার পর তারই প্রকাশ ঘটলো গম্ভীরের আচরণে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তাই ভারতের কোচ সাফ জানিয়ে দিলেন, “আমরা যদি কারো ক্ষেত্রে না যাই, তাহলে তাদেরও আমাদের ক্ষেত্রে আসার কোনও অধিকার নেই।” প্রসঙ্গত, টেস্টে হারের পর দিল্লি ক্যাপিটালসের পার্থ জিন্দাল ভিন্ন ভিন্ন ফরমেটে ভিন্ন ভিন্ন কোচের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এদিন সেই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের কথা উঠতেই মেজাজ হারালেন গৌতম গম্ভীর।
শনিবার ওয়ানডে সিরিজে ভারত দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-১ ব্যবধানে হারালো। যার ফলে টেস্ট সিরিজ হারের পর গৌতম গম্ভীরের কোচিংয়ের দল যে চাপের মধ্যে ছিল তার থেকে নিশ্চয়ই অনেকটাই মুক্তি পেল। কলকাতায় চতুর্থ ইনিংসে ১২৪ রান তাড়া করতে না পারা, এরপর, গুয়াহাটিতেও দ্বিতীয় টেস্টে ভারত ৪০৮ রানে হেরে যাওয়ার ফলে কোচিং নিয়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে। কেউ কেউ লাল বলের কোচ হিসেবে গম্ভীরের দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। শনিবার ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে গম্ভীর ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন যে ভারত প্রথম টেস্টে শুভমান গিলকে ছাড়াই খেলেছে। প্রথম ম্যাচে গিলের ঘাড়ে চোট লেগেছিল এবং তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল।
তিনি বলেন, “দেখুন, নিঃসন্দেহে অনেক আলোচনা হয়েছিল কারণ ফলাফল আমাদের পক্ষে যায়নি। কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল যে কেউ, কোনও মিডিয়া, কোনও জার্নাল লেখেনি যে আমরা প্রথম টেস্ট ম্যাচটি অধিনায়ক ছাড়াই খেলেছি, যিনি উভয় ইনিংসে ব্যাট করেননি। এবং পার্থক্য ছিল তৃতীয় রানে। কারণ আমি সংবাদ সম্মেলনে অজুহাত দিই না, এর অর্থ এই নয় যে আপনি বিশ্ব বা দেশকে তথ্য দেখান না”।
তিনি আরও বলেন,”টেস্টে আমরা ফর্মে থাকা অধিনায়ককে পাইনি। খেলা চলাকালীন অধিনায়ককে হারালে খেলা কঠিন হয়ে অঠে। এমনিতে আমাদের লাল বলের ক্রিকেটে খুব বেশি অভিজ্ঞ প্লেয়ার নেই। আশাচর্যের বিষয় এ নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি। উইকেট নিয়ে এত আলোচনা – আমি জানি না কী বলা হয়েছিল। যাদের ক্রিকেটের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখে না, তারাও কথা বলেছে।”