ওঙ্কার ডেস্ক: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুদান বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অবশেষে সেই সিদ্ধান্ত বদলের নির্দেশ দিল মার্কিন আদালত। ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে ‘অবৈধ’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন বিচারক।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ ইজরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সামিল হয়েছিল। যে বিষয়টি ভাল ভাবে নেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ ট্রাম্প তাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বেশ কিছু কঠোর নির্দেশ জারি করেন। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে সাফ জানানো হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাদাগিরির কাছে মাথা নোয়াবে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। এর পরেই ক্ষুব্ধ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুদান বন্ধের নির্দেশ দেয় ট্রাম্পের প্রশাসন। যদিও বুধবার বিচারক অ্যালিসন বারোস জানান, মার্কিন প্রশাসন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ম বা নীতি পরিবর্তনের যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা মানেনি বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর এ ধরনের ‘প্রতিশোধমূলক’ আচরণ করা উচিৎ হয়নি। সেই সঙ্গে হার্ভাডের অনুদান বন্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে ‘অবৈধ’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি। এ ধরনের নির্দেশ দ্রুত বদলের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
উল্লেখ্য, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০ কোটির অনুদান বন্ধ করার পাশাপাশি শিক্ষা দফতরের তরফে নোটিস দিয়ে বহু বিজ্ঞানী ও গবেষককে প্রকল্পের কাজ বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। সেই সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়টি ইহুদি বিদ্বেষী এবং কমিউনিস্টদের আখড়া হয়ে উঠেছে।’
