ওঙ্কার বাংলাঃ নাজেহাল গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি। আর স্বস্তির বৃষ্টিতে নাজেহাল শহরবাসী। শুক্রবার দুপুরে ঝেপে বৃষ্টি ও ঝড়ের দাপটে তছনছ তিলোত্তমা। জায়গায় জায়গায় গাছ পড়ে বন্ধ রাস্তাঘাট। জলমগ্ন শহরের রাস্তাঘাট। ঝড়ের তাণ্ডবে মধ্যমগ্রাম স্টেশনে ওভারহেডের তার ছিঁড়ে আপাতত শিয়ালদহ-বারাসত শাখায় বন্ধ ট্রেন চলাচল। এছাড়া শিয়ালদহ-ক্যানিং শাখাতেও রেল পরিষেবা ব্যাহত।
অন্যদিকে, শহিদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশনে শেডের একাংশ উড়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, কবি সুভাষে মেট্রো ট্র্যাকে গাছের ডাল পড়েছে। দুপুরে ২০ মিনিটের জন্য গিরিশ পার্ক থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার পর্যন্ত বন্ধ ছিল মেট্রো চলাচল। পরে অবশ্য তা স্বাভাবিক হয়ে যায়। কলকাতা বিমানবন্দরেও একই ছবি। রানওয়ে জল থইথই অবস্থা। এবশ কিছুক্ষণ বন্ধ বিমান ওঠানামা। গলফগ্রিন, সল্টলেকের রাস্তায় গাছ পড়ায় গাড়ি যাতায়াত বন্ধ।
অন্যদিকে, দক্ষিণ কলকাতার সবচেয়ে অভিজাত শপিং মলও ঝড়ের প্রভাবে বিধ্বস্ত। মলের একদিকে কাচের একাংশ খুলে গিয়েছে, ছিঁড়ে গিয়েছে হোর্ডিং। এছাড়াও একাধিক রাস্তায় গাছ ভেঙে পড়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে প্রশাসনের তরফে।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস ছিল, সপ্তাহান্তে ঝড়বৃষ্টি হবে। দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে কমবে তাপমাত্রাও। শুক্রবার দুপুর থেকেই হাওয়া বদল শুরু। কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি-সহ একাধিক জেলায় জারি লাল সতর্কতা। সবমিলিয়ে, শুক্রবার দুপুরের ঝড়বৃষ্টিতে আবহাওয়া ঠান্ডা হলেও মানুষের ভোগান্তি চরমে।