নয়াদিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং ‘ভোটচুরি’র অভিযোগে তাঁর অপসারণের দাবিতে রবিবার রাজধানীতে বড় কর্মসূচি নিচ্ছে বিরোধী ইন্ডি জোট। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিল্লির রামলীলা ময়দানে প্রতিবাদ সভার ডাক দেওয়া হয়েছে।
এই জমায়েতে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, অখিলেশ যাদব-সহ ইন্ডি জোটের শীর্ষ নেতৃত্ব থাকবেন। ইতিমধ্যেই দিল্লি রওনা হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু রাজনৈতিক নেতারাই নন, ছাত্র সংগঠন আইসার সর্বভারতীয় সভানেত্রী নেহা বোরা, নবগঠিত ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধি অভিজিৎ দীপক-সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, বিশিষ্টজন ও সাধারণ মানুষেরও জমায়েত হওয়ার কথা।
রামলীলা ময়দানে সাধারণত লাখখানেক মানুষের জায়গা হলেও এবার ১০ থেকে ১২ লক্ষ মানুষের ভিড় হতে পারে বলে অনুমান করছে দিল্লি পুলিশ। বিপুল মানুষের সঙ্গে প্রচুর যানবাহনও আসবে। ফলে রবিবার মধ্য দিল্লিতে বড়সড় যানজটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সেই কারণে নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থায় বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, পুরো ময়দানকে ১৪টি জোনে ভাগ করে ২০০টি এআই ক্যামেরা দিয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে। শনিবারই দিল্লি পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার সকাল থেকে পরিস্থিতি বুঝে নেতাজি সুভাষ মার্গ টি-পয়েন্ট, রাজঘাট, দিল্লি গেট, আইটিও এ-পয়েন্ট, আজমেরি গেট, রঞ্জিত সিং ফ্লাইওভার, ঝান্ডেওয়ালান গোলচত্বর, তুর্কমান গেট, মিরদার্ড চক-সহ মধ্য দিল্লির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যান চলাচল ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। বাহাদুর শাহ জাফর মার্গ, জেএলএন মার্গ, ডিবিজি রোড ও মিন্টো রোডেও নিয়ন্ত্রণ থাকবে। রামলীলা ময়দানের চারপাশে যানজট সামাল দিতে এবং পার্কিং নিয়ন্ত্রণে সেন্ট্রাল রেঞ্জ জুড়ে অতিরিক্ত ট্রাফিক কর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে।