অর্পিতা মুখার্জী: দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের ডাকা বিক্ষোভের জন্য রামলীলা ময়দান ও তার চারপাশে বড়সড় নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। শুধু ওই মাঠেই ১০ হাজার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান থাকবেন। উদ্দেশ্য দুটো – জমায়েতে নজর রাখা এবং ভিড় যাতে মাঠ ছাড়িয়ে যন্তর মন্তর বা লুটিয়েন্স এলাকার দিকে না যায়, তা আটকানো। এলাকায় ইতিমধ্যে ব্যারিকেড বসে গেছে।
রবিবারের কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধী সহ কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতারা থাকছেন। থাকবেন কয়েকজন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীও। এই প্রতিবাদে সমর্থন দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি এবং আইসা। আয়োজকরা ১০ লাখ লোক হওয়ার কথা বললেও পুলিশের হিসেবে মাঠে ৫০ হাজারের বেশি ধরা সম্ভব নয়। বেশি ভিড় হলে আগেই রাস্তায় আটকে দেওয়া হবে।
সূত্রের খবর, মাঠে ৩ হাজার দিল্লি পুলিশ এবং ৭ হাজারের বেশি আধাসেনা থাকবে। রিজার্ভে রাখা হয়েছে আরও ১০ কোম্পানি বাহিনী। রবিবারের সভার অনুমতি আগে নেওয়া থাকলেও, রাহুল গান্ধী ইনস্টাগ্রামে কনট প্লেস থেকে রামলীলা পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছেন, যার অনুমতি পুলিশ দেয়নি বলে জানিয়েছে। সেই মিছিল হলে কী করা হবে, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু বলেনি পুলিশ। সেন্ট্রালের ডিসি রোহিত রাজবীর সিংয়ের বক্তব্য, আয়োজকরা মিছিলের অনুমতি চাননি, তবে পুলিশ পরিস্থিতি সুষ্ঠুভাবে সামলানোর চেষ্টা করবে।
নজরদারির জন্য ২৫০টি এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে। পুরো ময়দানকে ৮ ভাগে ভাগ করে প্রতিটি ভাগে একজন ডিসিপি পদমর্যাদার অফিসার দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া ১৪টি সেক্টরে এসিপি-দের নেতৃত্বে ২৫ জন করে ইনস্পেক্টর ও সাব-ইনস্পেক্টর থাকবেন। অশান্তির চেষ্টা হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।