ওঙ্কার ডেস্ক: ভারতের পণ্যের উপর ২৫ শতাংশ হারে শুল্ক চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনের তরফে এই শুল্ক চাপানোর পরে কী ভাবে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক মসৃণ করা যায় তা নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে মোদী সরকার। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাণিজ্যচুক্তির জন্য সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে। আগামী ২৫ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রতিনিধি দল ভারতে আসবে। সেই দলের সঙ্গে আলোচনা করবে ভারতের প্রতিনিধিরা।
ভারতের পণ্যের উপর চড়া হারে শুল্ক চাপানোর পিছনে একাধিক কারণের কথা বলা হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে। প্রথমত, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি দ্রুত সম্পন্ন হোক, চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু অভিযোগ, ভারতের তরফে ধীরে চলো নীতি নিয়ে এগোনো হচ্ছিল। দ্বিতীয়ত, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণেও ক্ষুব্ধ ওয়াশিংটন। রাশিয়া ইউক্রেনের সঙ্গে যে যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে, ভারত এবং চিন সে দেশ থেকে তেল কেনার কারণে মস্কো তা চালিয়ে যেতে পারছে বলে দাবি ওয়াশিংটনের। কিন্তু কোন পথে হাঁটলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন গলবে, যাতে করে ভারতের পণ্যের উপর চাপানো শুল্ক কমানো হয় তা নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে নয়াদিল্লি।
এ ক্ষেত্রে ভারতের একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ইতিমধ্যে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা কমাতে শুরু করেছে বলে সূত্রের খবর। এ ছাড়া প্রতিরক্ষা, জীবাশ্ম জ্বালানি এবং পরমাণু— তিনটি ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বৃদ্ধির কথা ভাবছে মোদী সরকার। যার ফলে বাণিজ্যঘাটতি অনেকটা কমবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির সময়সীমা অক্টোবর পর্যন্ত বলে মত পর্যবেক্ষকদের। তবে তার আগেই নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন একটি চুক্তিতে পৌঁছতে পারবে বলে আশা করছেন অনেকে।
