ওঙ্কার ডেস্ক: দক্ষিণের রাজ্য কর্নাটকে ক্ষমতার লড়াইয়ে নয়া ইঙ্গিত। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করতে চলেছেন। এই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে কারণ সিদ্দারামাইয়া বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা নাগাদ রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চেয়েছেন। সিদ্দারামাইয়া পদত্যাগ করলে তাঁর জায়গায় কুর্সিতে বসতে চলেছেন বর্তমান উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার।
কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের সময়ই সিদ্দারামাইয়া তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। কংগ্রেসের এক নেতা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে সিদ্দারামাইয়া তাঁর বেঙ্গালুরুর বাসভবনে কর্নাটক মন্ত্রিসভার জন্য একটি প্রাতঃভোজ সভার আয়োজন করতে চলেছেন। যার ফলে ক্ষমতার হাত বদলের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে পর্যবেক্ষকদের মধ্যে। কর্নাটকের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক এবং কর্নাটকের দায়িত্বপ্রাপ্ত রণদীপ সুরজেওয়ালারও বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুতে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, সুরজেওয়ালা কর্নাটকের প্রবীণ কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন।
উল্লেখ্য, দিল্লিতে কংগ্রেস হাইকমান্ড এবং কর্নাটকের নেতাদের মধ্যে কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় আলোচনা চলছে। ক্ষমতার হাত বদল নিয়ে জটিলতার সমাধান খুঁজতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব সেই আলোচনা চালিয়ে গিয়েছেন। সূত্রের খবর, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে দলীয় নেতৃত্ব সিদ্দারামাইয়াকে রাজ্যসভার মাধ্যমে জাতীয় রাজনীতির আঙিনায় প্রবেশ করতে এবং সাংগঠনিক স্তরে বড় ভূমিকা নিতে অনুরোধ করেছেন। কংগ্রেস নেতৃত্ব সিদ্দারামাইয়াকে জাতীয় স্তরে দলের অন্যতম প্রধান ওবিসি মুখ হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে, কারণ রাহুল গান্ধী আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের সামাজিক ন্যায়বিচার এবং জাতিগত সংযোগ কৌশলকে আরও জোরদার করছেন।