ওঙ্কার ডেস্ক: আমেরিকায় গ্রিন কার্ডের আবেদনকারী ভারতীয়দের জন্য নতুন নিয়মে বাড়তে চলেছে আর্থিক যাচাই। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হতে চলা নতুন অভিবাসন নির্দেশিকার ফলে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের আর্থিক পরিস্থিতি, সরকারি সুবিধা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে তাঁরা সরকারের উপর আর্থিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে কি না, তা আরও খুঁটিয়ে দেখবেন মার্কিন অভিবাসন আধিকারিকরা। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, আবাসন সহায়তা, ফুড স্ট্যাম্প, কলেজের আর্থিক সহায়তা-সহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা কোনও আবেদনকারী গ্রহণ করছেন কি না, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। ফলে আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করা কয়েক হাজার ভারতীয়ের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা জানিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর বা তার পরে ডাকযোগে পাঠানো কিংবা অনলাইনে জমা দেওয়া আবেদনগুলির ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা প্রযোজ্য হবে। অন্যদিকে, ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জমা পড়া আবেদনগুলি আগের নিয়ম ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকার ভিত্তিতেই বিবেচনা করা হবে। এই পরিবর্তনের ফলে পরিবারভিত্তিক এবং কর্মসংস্থানভিত্তিক বিভিন্ন পথে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীরা প্রভাবিত হতে পারেন। এছাড়া মার্কিন নাগরিকদের প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান ও ভাই-বোন, নাগরিকদের বাগদত্ত বা বাগদত্তা এবং নাগরিকদের বিধবা বা বিপত্নীক স্বামী-স্ত্রীরাও এই মূল্যায়নের আওতায় থাকবেন। কর্মসংস্থানভিত্তিক আবেদনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের যাচাই হতে পারে। অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মী, উচ্চতর ডিগ্রিধারী পেশাজীবী, বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তি, দক্ষ কর্মী, বিনিয়োগকারী এবং ধর্মীয় কর্মীদের মতো কয়েকটি শ্রেণি এই বিধানের আওতায় রয়েছে। বিদেশি মেডিক্যাল কলেজের স্নাতক, আন্তর্জাতিক সম্প্রচারক এবং নির্দিষ্ট কিছু বর্তমান বা প্রাক্তন মার্কিন সরকারি কর্মীও এর অন্তর্ভুক্ত।