ওঙ্কার ডেস্ক: বড়সড় বিমান দুর্ঘটনা চিনের হংকং-এ। অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে পিছলে সমুদ্রে গিয়ে পড়ল উড়োজাহাজ। যার ফলে দু জনের মৃত্যু হয়েছে। বিমানটি যাত্রিবাহী না হওয়ায় বিপুল সংখ্যক মৃত্যু এড়ানো গেছে। কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করছিল বিমানটি, সেই সময়ে রানওয়ে থেকে পিছলে সোজা গিয়ে পাশের সমুদ্রে পড়ে। বিমানটি পণ্যবাহী ছিল বলে জানা গিয়েছে। সমুদ্রে পড়ার আগে বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতেও ধাক্কা মারে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি। সোমবার
ভোর ৩টে ৫০ মিনিট নাগাদ এই ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, বিমানটি দুবাই থেকে ফিরছিল। উড়োজাহাজটির ভিতরে পাইলট-সহ চার বিমানকর্মী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর সমুদ্র থেকে বিমানচালক ও কর্মীদের উদ্ধার করা হয়েছে। যে গাড়িটিতে বিমানটি ধাক্কা মেরেছে তার মধ্যে থাকা দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। হংকং পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, নিহতদের মধ্যে এক জন বিমানবন্দরের কর্মী। অন্য জনের নাম ও পরিচয় জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দুর্ঘটনার কবলে পড়া ইকে৯৭৮৮ বিমানটিতে থাকা কর্মীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিন এই দুর্ঘটনার পর ১৯৯৯ সালের হংকং বিমানবন্দরে ঘটা দুর্ঘটনার কথা মনে করছেন অনেকে। সেই দুর্ঘটনা চিনের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত। সেই বছর চিন এয়ারলাইন্সের একটি যাত্রিবাহী বিমান এই বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টা করার সময় অবতরণ সফল হয়নি। বিমানটি উল্টে গিয়েছিল। যার ফলে মৃত্যু হয়েছিল তিন জনের।