ওঙ্কার ডেস্ক: ভাঙনের খেলা আরও জোরদার হচ্ছে তৃণমূলের অন্দরে। তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ এবার এনডিএ শিবিরে নাম লেখানোর জন্য সরাসরি চিঠি দিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। সোমবার এই বিদ্রোহী সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়ে এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সূত্রের খবর, তৃণমূলের এই বিদ্রোহী সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দেবেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর রাজ্য বিধানসভায় ভেঙে দু টুকরো হয়ে গিয়েছে জোড়াফুল শিবির। বিরোধী দলনেতা হিসেবে মমতার মনোনীত শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে মেনে নেননি তৃণমূলেরই বিধায়করা। মোট ৫৯ জনের সমর্থনে বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের দিল্লির বাসভবনে যান। সেখানে গোপন বৈঠকে যোগ দেন তাঁরা। এদিকে এদিন দুপুরে ভূপেন্দ্রর বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠকে তৃণমূলের সংসদীয় দল ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।
রাজ্য বিধানসভায় তৃণমূলে ভাঙনের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিদ্রোহীরা নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করতে শুরু করে। এবার লোকসভায়ও বিরোধীরা আসল তৃণমূল বলে নিজেদেরকে দাবি করতে পারবেন। সূত্রের খবর, লোকসভায় বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা মুখ্য সচেতক হিসেবে চাইছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। স্পিকার যদি তাতে স্বীকৃতি দেন তাহলে লোকসভায় ‘আসল তৃণমূল’ হতে চলেছেন তাঁরা। এর ফলে লোকসভার দলনেতা হিসেবে আর থাকবেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের হাতে গড়া দলের প্রতীকও এখন মমতার হাতে থাকবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।