ওঙ্কার ডেস্ক: সরকার বিরোধী বিক্ষোভে ইরানে নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ৭০০। একাধিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠননের তরফে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভে মৃতদের মধ্যে রয়েছে পুলিশ এবং সরকারপন্থীরাও। দেশটির রাজধানী তেহরান-সহ বিভিন্ন শহরের হাসপাতালের মর্গে অপরিচিত মৃতদেহের সংখ্যা বাড়ছে।
জিনিসত্রের মূল্যবৃদ্ধির জেরে ইরানবাসীর মধ্যে যে অসন্তোষ দানা বাঁধছিল, তা বিক্ষোভ আকারে ছড়িয়ে পড়ে ১৭ দিন আগে। সেই বিক্ষোভ ধীরে ধীরে ছড়াতে থাকে দেশটির বিভিন্ন জায়গায়। ইরানের সমস্ত শ্রেণির মানুষ এই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। অন্য দিকে ইরানের বিক্ষোভের আবহে কী করণীয় তা নিয়ে উচ্চ পদস্থ কর্তাদের নিয়ে বৈঠকে ডেকেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই বৈঠক হওয়ার কথা। উল্লেখ্য, এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে বার্তা দিয়েছেন। যা নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন তৈরি হয়।
আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যদি এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা চালানোর নির্দেশ দেন, তবে সে ক্ষেত্রে তেল ভান্ডার গুলি দখল করতে পারে ওয়াশিংটন। এ ছাড়া সামরিক ঘাঁটিও ধ্বংস করতে পারে মার্কিন বাহিনী। যদিও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলি গুড়িয়ে দেওয়া হবে। ইরানের বিদেশ মন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাই না। তবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত আছি।’
