ওঙ্কার ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক মহলের নজর কাড়ল উত্তর কোরিয়ার সামরিক তৎপরতা। সম্প্রতি দেশটি একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ইঞ্জিনের পরীক্ষা চালিয়েছে, যা তাদের দীর্ঘপাল্লার অস্ত্রভাণ্ডারকে আরও শক্তিশালী করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, এই পরীক্ষাটি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন দেশের সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। পরীক্ষিত ইঞ্জিনটি কঠিন জ্বালানিভিত্তিক, যা আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ইঞ্জিন ব্যবহারের ফলে ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হয় এবং তা শত্রুপক্ষের পক্ষে শনাক্ত বা প্রতিরোধ করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। উত্তর কোরিয়ার দাবি, এই নতুন ইঞ্জিন আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী এবং উচ্চ থ্রাস্ট উৎপাদনে সক্ষম। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও উন্নত আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক
বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা চরমে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির এই অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে উত্তর কোরিয়া নিজেদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করতে চাইছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন তারা নিজেদের শক্তি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে চাইছে, তেমনই অন্যদিকে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষদের প্রতি একটি কড়া বার্তাও দিতে চাইছে। তবে এই পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমী দেশগুলি। তাদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এই ধরনের পরীক্ষা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে আরও বিঘ্নিত করতে পারে এবং নতুন করে অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলতে পারে।