ওঙ্কার ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ আবহে ইরানের আকাশে একটি মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করার ঘটনায় এই প্রশ্নটি উঠেছে। ওয়াশিংটন নিশ্চিত করেছে উল্লেখ্য বিমানটিতে দুজন ক্রু সদস্য ছিলেন। আমেরিকার পাঠানো উদ্ধারকারী দল একজন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করেছে। দ্বিতীয় পাইলটকে খুঁজে বের করার জন্য অনুসন্ধান অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হোয়াইট হাউস থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই ঘটনা নিয়ে সাংবাদিক দের মুখোমুখি হয়েছেন।
ওয়াশিংটনের খবর অনুযায়ী, মার্কিন বায়ুসেনার অত্যাধুনিক এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ইরানের আকাশসীমায় অভিযানের সময় ভূপাতিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দুই আসন বিশিষ্ট এই যুদ্ধবিমানে থাকা দুই ক্রু সদস্যই বিপদের মুখে পড়ার আগেই ইজেক্ট করে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।
ঘটনার পরপরই মার্কিন সেনাবাহিনী দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই এক ক্রু সদস্যকে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় মার্কিন বিশেষ বাহিনী। উদ্ধার অভিযানে একাধিক হেলিকপ্টার ও বিশেষ প্রশিক্ষিত বাহিনী অংশ নেয়। শত্রু অঞ্চলের ভেতরে প্রবেশ করে এই অভিযান চালানো হয়, যেখানে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকায় প্রতিটি মুহূর্তই ছিল অত্যন্ত বিপজ্জনক। তবে এখনও পর্যন্ত অপর ক্রু সদস্যের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁকে উদ্ধারের জন্য জোরদার তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। ইরানের ভেতরে, বিশেষত দুর্গম ও শত্রু নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এই অনুসন্ধান চালানো হওয়ায় উদ্ধারকাজ আরও জটিল হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে ইরানের জাতিয় সংবাদ মাধ্যমে জানানো হয়েছে কেউ যদি আমেরিকার ঐ যুদ্ধবিমানের পাইলটের সন্ধান দিতে পারে তাহলে সরকার থেকে পুরস্কৃত করা হবে। ফলে আমেরিকার বাহিনীর সঙ্গে সঙ্গে ইরানের বাহিনীও পাইলটের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।
এদিকে সূত্রের খবর, উদ্ধার অভিযানের সময় মার্কিন হেলিকপ্টারগুলির উপরও হামলা চালানো হয়। যদিও সেগুলি গুরুতর ক্ষতি এড়িয়ে নিরাপদে ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছে। তবুও এই ঘটনা থেকে স্পষ্ট, শত্রু ভূখণ্ডে উদ্ধার অভিযান কতটা বিপজ্জনক এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ।