ওঙ্কার ডেস্ক: সম্প্রতি মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগলকে ভূপাতিত করেছে ইরান। বিমানটি ভেঙে পড়ার আগে এতে থাকা দুই পাইলটই সেটি থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। পরে ট্রাম্প বাহিনী দুজনকেই ইরানে ঢুকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে। ইরানে আটকে পড়া এক মার্কিন বায়ু সেনার রেডিও বার্তা শুনে দ্বিধায় পড়ে গিয়েছিল ওয়াশিংটন। দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের পার্বত্য অঞ্চলের কোনও এক জায়গা থেকে ওই জওয়ান যোগাযোগ করেছিলেন। ওয়াশিংটনের দাবি, তাঁর পাঠানো বার্তা এতটাই সংক্ষিপ্ত এবং অপ্রত্যাশিত ছিল যে এটি ইরানি ফাঁদ সবলে ধন্দ তৈরি হয়েছিল।
বিষয়টি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ওই জওয়ানের কথা একজন মুসলিমের কথার মতোই শোনাচ্ছিল। অ্যাক্সিওসকে তিনি বলেন, অস্ত্র ব্যবস্থা বিষয়ক ওই জওয়ান এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান থেকে বেরিয়ে আসার পর রেডিওতে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা পাঠিয়েছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথায়, ‘তিনি বলেছিলেন: ঈশ্বর সর্বশক্তিমান।’ ট্রাম্প মার্কিন সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘রেডিওতে তিনি যা বলেছিলেন তা একজন মুসলিম ব্যক্তির কথার মতোই শোনাচ্ছিল।’ তিনি আরও বলেন, ওই জওয়ানকে যাঁরা চিনতেন তাঁরা পরে জানিয়েছিলেন তিনি ধার্মিক ব্যক্তি। তাই তাঁর পক্ষে এমন কথা বলা স্বাভাবিক ছিল।
একজন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্তা ট্রাম্পের কথার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, ওই জওয়ান আক্ষরিক অর্থে বলেছিলেন ‘ঈশ্বর মহান’। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সমাজ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে একই কথা পোস্ট করেছেন। ওই বায়ু সেনার কাছে একটি হ্যান্ডগান ছাড়াও যোগাযোগের জন্য একটি ডিভাইস এবং একটি ট্র্যাকিং বীকন ছিল। যখন ইরানি ও মার্কিন বাহিনী তাকে খুঁজে বের করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল, তখন পাহাড়ের একটি ফাটলে তিনি লুকিয়ে ছিলেন। এবং স্থান পরিবর্তন করেন ঘন ঘন।