ওঙ্কার ডেস্ক: ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে প্রথম দফার শান্তি বৈঠক সম্পন্ন হল সুইজারল্যান্ডে। উভয় পক্ষ একাধিক বিষয়ে একমত হয়েছে বলে খবর। দুই দেশের আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান এবং কাতার সোমবার সকালে বিবৃতি দিয়ে এনটাই জানিয়েছে। ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার পর পাকিস্তানের তরফে জানানো হয়েছে, দুই পক্ষ আগামী ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছোনোর জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় রাজি হয়েছে।
ইরানের বিদেশ মন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই আলোচনার পর বলেছেন, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছোনোর লক্ষ্যে একটি নির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতিতে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন এবং তেহরান। লেবাননের সঙ্গে ইজরায়েলের যে সংঘাত চলছে তার অবসানের জন্য একটি ‘ডিএস্কেলেশন সেল’ গঠন করা হবে। যে কমিটিতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ এবং লেবাননের প্রতিনিধিরাও থাকবেন। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ডে ওয়াশিংটনের প্রতিনিধি দল এবং তেহরানের প্রতিনিধি দল আলোচনার টেবিলে বসার শুরুতেই বিঘ্ন তৈরি হয়েছিল। মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক মন্তব্যের প্রতিবাদে ইরান বৈঠক স্থল ত্যাগ করেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, লেবাননে ইরান যদি তাদের বন্ধুকে না সামলাতে পারে, তবে আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাবে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই আরাঘচিরা প্রতিবাদ জানিয়ে বৈঠকের ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যান। মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে হাত মেলানো, ফটোশুটের কথা থাকলে ও তা বাতিল করে দেওয়া হয়।