ওঙ্কার ডেস্ক: বিশ্বকাপ মানে বাঙালির আবেগের ফুটবল। কিন্তু তার মধ্যে আরেকটা জিনিস সমান জনপ্রিয়—দলের ডাকনাম। প্রত্যেক মানুষের যেমন ডাক নাম থাকে তেমন প্রত্যেক দলেরই নাম থাকে। কেউ ‘রেড ডেভিলস’, কেউ ‘ব্লু শার্কস’, কেউ আবার সোজাসাপ্টা ‘দ্য টিম’! এবারের টুর্নামেন্টে ৪৮টি দেশ খেলবে। যার প্রায় প্রত্যেক দলেরই রয়েছে আলাদা পরিচয়, পৃথক ডাকনাম। কোথাও ইতিহাস, কোথাও জাতীয় রং, কোথাও প্রাণী, কোথাও আবার যুদ্ধের ইঙ্গিত মিশে। মাঠে ফুটবলাররা নামবে ঠিকই। কিন্তু গ্যালারিতে সিংহ, ঈগল, নেকড়ে, ড্রাগনদের দাপাদাপিও আমাদের নজর কেড়ে নিতে চলেছে।
আর্জেন্তিনার ডাকনাম ‘লা আলবিসেলেস্তে’। অর্থাৎ, সাদা-আকাশি দল। ব্রাজিল ‘সেলেসাও’ বা ‘ক্যানারিনহো’। ছোট ক্যানারি পাখির নামে পরিচিত তারা। ইংল্যান্ড ‘থ্রি লায়ন্স’। ফ্রান্স ‘লে ব্লু’। নেদারল্যান্ডস ‘অরাঞ্জে’। স্পেন ‘লা রোহা’। বেলজিয়াম ‘রেড ডেভিলস’। মরক্কো ‘অ্যাটলাস লায়ন্স’। সেনেগাল ‘তেরাঙ্গার সিংহ’। টিউনিসিয়া ‘কার্থেজের ইগল’! মেক্সিকো ‘এল ত্রি’। উরুগুয়ে ‘লা সেলেস্তে’। পর্তুগাল ‘শিল্ডের দল’। আর জাপান? তারা ‘সামুরাই ব্লু’। শুনলেই মনে হচ্ছে ক্ষিপ্রগতির ফুটবলে বুঝি প্রতিপক্ষের রক্ষণ ছিন্নভিন্ন করে দেবে! বসনিয়া ‘ড্রাগন’। কেপ ভার্দে ‘ব্লু শার্কস’। উজবেকিস্তান ‘হোয়াইট উলভস’। আইভরি কোস্ট ‘হাতি’। কঙ্গো ‘চিতাবাঘ’। দক্ষিণ কোরিয়া ‘এশিয়ার বাঘ’। ইরাকের নাম বেশ জমকালো—‘মেসোপটেমিয়ার সিংহ’। সৌদি আরব ‘সবুজ বাজপাখি’। অস্ট্রেলিয়া একটু আলাদা। তারা ‘সকারুজ’। ফুটবল আর ক্যাঙ্গারুর মিশেলে এই হাঁসজারু নামকরণ। শুনেই বোঝা যায়, ব্যাপারটা বেশ সিরিয়াসলি ভেবে করা হয়েছে!