ওঙ্কার ডেস্কঃ ফের গণবিক্ষোভে উত্তাল বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার রাতে হাদির মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিক্ষোভ শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বৃহস্পতিবার রাতেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। দেশবাসীকে ‘ধৈর্য ও সংযম’ বজায় রাখার আবেদন জানান তিনি। জানান, হাদির মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বাংলাদেশ। শোকজ্ঞাপনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। শুক্রবার আয়োজন করা হবে বিশেষ নমাজ প্রার্থনার। শনিবার শোকদিবস পালন করা হবে। সেই সঙ্গে ওসমানের স্ত্রী ও সন্তানের দায়িত্ব সরকার গ্রহণ করবে বলেও আশ্বাস দেন মহম্মদ ইউনূস।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ভাষণে জানান, হাদি ছিলেন সন্ত্রাসবাদের শত্রু। গণতন্ত্রের শত্রুরা তাঁকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে মানুষের কণ্ঠরোধ করতে পারবে না। গণতান্ত্রিক ভাবে সন্ত্রাসবাদীদের পরাজিত করেই তাকে প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব। পাশাপাশি ষড়যন্ত্রকারীদের পাতা ফাঁদে পা না দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হন জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা তথা ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ওসমান। আততায়ীরা তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে। তারপর তাঁকে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিক্ষোভে উত্তাল হয় ওপার বাংলা।
ওসমানের মৃত্যুর ঘটনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি-র পক্ষ থেকেও শোকপ্রকাশ করা হয়েছে। দোষীদের শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছে সকল দলই।
