ওঙ্কার বাংলা: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার আবহে ইরান সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেসে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘাঁটিটি দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন সামরিক উপস্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই এয়ার বেসে বার বার হামলা চালিয়েছে ইরানী সেনা। যুদ্ধের এক মাসেও পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কোনো লক্ষন দেখা যাচ্ছে না বরং যুদ্ধের ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে।
সূত্রের খবর, হামলায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বিত ব্যবহার করা হয়। আঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে ঘাঁটির একাধিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বেশ কয়েকটি সামরিক বিমানেও ক্ষতির চিহ্ন দেখা যায়। এই ঘটনায় অন্তত ১০ থেকে ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছে বলে জানা গেছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য স্থানীয় সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ইরান এখনও তার সামরিক সক্ষমতা ধরে রেখেছে এবং প্রয়োজনে দূরপাল্লার হামলা চালাতে সক্ষম বলে অভিমত প্রকাশ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, এই ঘটনার ফলে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। কারণ এত গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা সফল হওয়া আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। একইসঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলিও সতর্ক অবস্থানে চলে গেছে।
এদিকে, ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর সক্রিয়তা এই সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করার আশঙ্কা বাড়িয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে এবং স্পষ্ট জানিয়েছে যে, ইরান ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে আক্রমণ চলতে থাকলে তারা আরও বড় পদক্ষেপ নেবে।