ওঙ্কার ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই আবহেই বাংলার নির্বাচনী ময়দানে নামতে চলেছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। তাঁর এই সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে রাজ্যের একাধিক জেলায় প্রচার করবেন তিনি। বিশেষ করে জঙ্গলমহল এবং উত্তরবঙ্গের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে তাঁর সভা করার সম্ভাবনা বেশি। এই অঞ্চলগুলিতে আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায়, ঝাড়খণ্ডের এই আদিবাসী নেতার উপস্থিতিকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই প্রচার শুধুমাত্র একটি নির্বাচনী কর্মসূচি নয়, বরং পূর্ব ভারতের আঞ্চলিক শক্তিগুলির মধ্যে সমন্বয়ের একটি বড় ইঙ্গিত। ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের এই সমন্বয় বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর রাজনৈতিক বার্তা দিতেও সক্ষম হতে পারে।
উল্লেখ্য, এর আগে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা বাংলায় নিজেদের সংগঠন বিস্তারের আগ্রহ দেখালেও, শেষ পর্যন্ত সরাসরি নির্বাচনে লড়াইয়ের পথে না হেঁটে তৃণমূলকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এই প্রচারে হেমন্ত সোরেনের অংশগ্রহণ সেই সমর্থনকেই আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বঙ্গে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার তুঙ্গে। জাতীয় ও আঞ্চলিক দুই স্তরের নেতাদের সক্রিয় উপস্থিতিতে নির্বাচনী লড়াই ক্রমশ বহুমাত্রিক হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর প্রচার রাজ্যের নির্বাচনী সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, এখন সেটাই দেখার।