ওঙ্কার ডেস্ক: ‘কোনও মন্ত্রী যদি পাঁচ বছর কারাদণ্ড হতে পারে এমন অপরাধে গ্রেফতার হয়ে ৩০ দিন জেলে খাটেন তাহলে তাঁর পদ চলে যাবে’। গত বছর মোদী সরকার এই সংক্রান্ত বিল এনেছিল। সেই বিল পর্যালোচনা করে রিপোর্ট দিতে আরও সময় চাইল যৌথ সংসদীয় কমিটি। জেপিসির সেই আবেদনে সায় দিয়েছে লোকসভা। বলা হয়েছে, আগামী বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহের প্রথম দিন পর্যন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া যাবে।
গত বছর আগস্টে সংসদের বাদল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় সরকার সংবিধান সংশোধনী বিল আনে। তার সঙ্গে আরও দুইটি বিল পেশ করা হয়েছিল। দেশের প্রধানমন্ত্রী, কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্র বা রাজ্যের মন্ত্রীরা যদি গ্রেফতার হয়ে ৩০ দিন জেলে থাকেন তাহলে তিনি পদ হারাবেন। তবে পাঁচ বছরের বেশি কারাদণ্ড হতে পারে এমন অপরাধে গ্রেফতার হলে তবেই এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
বিলগুলি পেশ করার পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, যৌথ কমিটির কাছে বিলগুলি পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হবে। সেই মতো বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা ষড়ঙ্গীর নেতৃত্বে গঠন করা হয় কমিটি। তবে এই কমিটি নিয়ে প্রথম থেকেই সরব হন বিরোধীরা। কমিটিতে বিজেপি জোট এর সাংসদদেরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে বলে সরব হয় বিরোধী দলগুলি। তাই তাদের আপত্তি উপেক্ষা করে বিলের পক্ষেই সুপারিশ করবে ওই যৌথ কমিটি এমনটাই মনে করছে বিরোধীরা।