ওঙ্কার ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় আচমকাই উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিইর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তাঁর নিহত হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে যে তার প্রভাব সরাসরি বিধানসভায় গিয়ে পড়ে।
অধিবেশন শুরু হতেই জম্মু-কাশ্মীরের ন্যাশেনাল কনফারেন্সের বিধায়কেরা বিষয়টি নিয়ে সরব হয়ে ওঠেন। তাঁরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং আন্তর্জাতিক ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, এই ঘটনা শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং গোটা মুসলিম বিশ্বের আবেগের সঙ্গে যুক্ত। বিধানসভায় “জিন্দাবাদ” ধ্বনি এবং প্রতিবাদী স্লোগানে মুহূর্তের মধ্যে পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি ক্রমশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে অধিবেশন পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। স্পিকার বারবার সদস্যদের শান্ত থাকার আহ্বান জানালেও তা বিশেষ কাজে আসেনি। বিরোধী ও শাসকপক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক আরও বাড়তে থাকে, ফলে কার্যত অধিবেশন ব্যাহত হয় এবং কিছু সময়ের জন্য মুলতবি করতে বাধ্য হন কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে খামেনেইর মৃত্যুর খবর সামনে আসার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরান এই ঘটনাকে সরাসরি আগ্রাসন হিসেবে দেখছে এবং প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। অন্যদিকে, এই ঘটনার জেরে বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের ঢেউ দেখা যাচ্ছে। কাশ্মীর উপত্যকাতেও এই ঘটনার প্রভাব স্পষ্ট। এর আগে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভের ছবি সামনে এসেছিল, আর এবার সেই ক্ষোভ বিধানসভার ভেতরেও বিস্ফোরিত হয়েছে।