ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা সাংসদদের তালিকা যেন শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না। এবার বড় দাবি সামনে আনলেন কোচবিহারের বিদ্রোহী সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। তাঁর দাবি, শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিক্ষুব্ধ সাংসদদের লাইনে রয়েছেন! অর্থাৎ খুব শীঘ্রই তিনি বিক্ষুব্ধ শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন বলে কোচবিহারের ওই সাংসদের দাবি।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই সই জাল কাণ্ডে অভিষেকের মামলা থেকে সরে গিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি সাফ জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলে থাকলে তিনি দলে থাকবেন না। অভিষেক অথবা তাঁকে, যে কোনও একজনকে বেছে নেওয়ার জন্য তৃণমূল সুপ্রিমোকে বলেছেন কল্যাণ। অভিষেক উদ্ধ্বত বলেও তোপ দাগেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত তৃণমূলের যে ১৯ জন সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে পৃথক ব্লকের স্বীকৃতির জন্য আর্জি জানিয়েছিলেন সেই তালিকায় সই রয়েছে জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার। তৃণমূল কংগ্রেসের কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের বর্তমান সাংসদ তিনি। এর আগে ২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোচবিহারেরই সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন জগদীশ। ২০২৪ সালে লোকভা ভোটে কোচবিহার কেন্দ্রে জোড়াফুল শিবিরের হয়ে লড়াই করে জয়ী হন। এদিন কল্যাণ প্রসঙ্গে মন্তব্য করার পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন তিনি। জগদীশ বলেন, ‘তৃণমূল দলটা চালায় কর্পোরেট সংস্থা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি সংগঠন দেখতেন, দল দেখতেন তাহলে এই ফল হত না। আমরাই আসল তৃণমূল। দলের প্রতীকের জন্য আমরা দাবি জানাব।’