নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ঐতিহ্য মন্ডিত কলকাতার অন্যতম সুপ্রাচীন সারস্বত প্রতিষ্ঠান বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের ১৩৩ বছরের প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন হল পরিষদের রমেশ কক্ষে। প্রতিষ্ঠা দিবসে ভারতবর্ষের উচ্চ শিক্ষায় গান্ধীজীর চিন্তা ভাবনার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে বক্তব্য রাখেন সুরঞ্জন দাস। এদিন রাখাল দাস বন্দ্যোপাধ্যায় স্মৃতি পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় বিশিষ্ট ইতিহাস লেখক মলয় শঙ্কর ভট্টাচার্যকে।
অনিল আচার্যকে দেওয়া হয় ব্রজেন্দ্র নাথ বন্দ্যোপাধ্যায় স্মৃতি পুরস্কার, অর্চনা চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার দেওয়া হয় শিবশঙ্কর ঘোষ এবং বিশিষ্ট কবি ও লেখক রজত শুভ্র মজুমদারকে ইলা চন্দ স্মৃতি পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রতি বছরের মতো এবারও সর্বাধিক পাঠ কক্ষ ব্যবহার করার জন্য পুরস্কৃত হন প্রসেনজিৎ ঘোষ। তার হাতে নিরুপমা চন্দ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অনুপ মতিলাল ও চিত্রকর শুভাপ্রসন্ন।

সঙ্গীত পরিবেশন ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথিদের হাত দিয়ে এদিন উন্মোচিত হয় সাহিত্য পরিষদ পত্রিকার ১৪৩২ সংখ্যার। এদিন লিটিল ম্যাগাজিনের গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য রাখেন অনুষ্টুপ পত্রিকার সম্পাদক অনিল আচার্য। এই ডিজিটাল যুগেও বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের পাঠ কক্ষের রমরমা দেখে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন পুরস্কার প্রাপকদের অন্যতম মলয় শঙ্কর ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “আজও মানুষ বইকে ভালোবাসেন”। এছাড়াও রজত শুভ্র মজুমদার জানান, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের মতো এক প্রাচীন প্রতিষ্ঠান থেকে পুরস্কৃত হবার জন্য তিনি যথেষ্ট খুশি ও গর্বিত।
এদিন পরিষদের রমেশ ভবন ছিলো দর্শক পরিপূর্ণ। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের এই প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পঁচিশে জুলাই থেকে দশই অগাষ্ট পর্যন্ত তাদের প্রকাশনার নিজস্ব বই পত্রিকা প্রদর্শনী এছাড়াও বিপুল ছাড়ে থাকবে বই বিক্রির ব্যবস্থা।
