ওঙ্কার ডেক্স : মঙ্গলবার রাতভোর মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে জল থইথই কলকাতার নানা প্রান্তে এখনও পর্যন্ত বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০। বুধবার সকালে ২ জনের বাড়িতে যান মেয়র ফিরহাদ হাকিম। মেয়রের ফোনেই মৃতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আশ্বাস দেন পাশে থাকার।
উল্লেখ্য, বৃষ্টিতে যাদবপুর, পার্কসার্কাস, তারাতলা, একবালপুর, ভবানীপুর-গোটা কলকাতা কার্যত জলের তলায় চলে যায়। আর এই জমা জল যেন মৃত্যু ফাঁদ। মোমিনপুর, নেতাজিনগর, ঠাকুরপুকুর-সহ একাধিক এলাকা থেকে আসতে থাকে মৃত্যুর খবর। বুধবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ মোমিনপুরে মৃত জিতেন্দ্র সিংয়ের বাড়িতে যান মেয়র ফিরহাদ হাকিম। কথা বলেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। সেখান থেকে ঠাকুরপুকুরে। কথা বলেন মৃত শুভ প্রামাণিকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। মেয়রের ফোন থেকেই এদিন মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমবেদনা জানিয়ে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
প্রসঙ্গত, বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যুর জন্য সিইএসসিকে আক্রমণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি দাবি করেন, সিইএসসি-র উদাসীনতার বলি এরা। একরাশ ক্ষোভ উগরে বলেন, “সিইএসসি-র উচিত, মৃতদের পরিবারের একজনের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়া। এখানে ওরা ব্যবসা করছে আর আধুনিকীকরণের কাজ করছে না। বলতে বলতে আমার মুখ ব্যথা হয়ে গিয়েছে।”
