নিজস্ব সংবাদদাতা : SIR নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। ইতিমধ্যেই বিহারে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বাদ পড়েছে ৬৫ লাখ নাম। এর নেপথ্যে বিজেপির রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র দেখছেন বিরোধীরা। এই ইস্যুতে বারবার সরব হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভা থেকে ফের একবার SIR ইস্যুতে বিজেপিকে নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কার্যত সতর্ক করে বলেন, SIR এর নাম করে আসল ভোটারের নাম বাদ দিয়ে ভুয়ো ভোটারদের ঢোকানো হচ্ছে তালিকায়। এটা বন্ধ করতে তিনি প্রাথমিক দাওয়াইও দেন। বলেন, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা করতে এলে যেন তথ্য না দেওয়া হয়।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের সভা থেকে তিনি আর বলেন, “সারা ভারত থেকে ৫০০ টা দল নিয়ে এসেছে বিজেপি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করছে কার কার নাম বাদ দেওয়া যায়। কেউ সার্ভে করতে এলে, কখনও নিজের তথ্য দেবেন না।”এরপর তিনি বলেন, “বাড়ি বাড়ি সমীক্ষার নামে আপনার সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য নিয়ে গিয়ে দেখবেন, আপনার নাম বাদ দিয়ে দেবে। নিজের ভোটার কেন্দ্রে গিয়ে দেখবেন, নামটা আছে কি না। আধার কার্ডটা করে রাখুন। আধার কার্ডটা বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছে।
ঠিক এরপর নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন,”ললিপপ সরকার বিডিও, এসডিও, ডিএম-দের ভয় দেখাচ্ছে। বলছে, “চাকরি খেয়ে নেব, নয় জেলে পুরে দেব। নির্বাচন কমিশন আসে আর যায়। সারাবছর কিন্তু রাজ্য সরকারের হাতে সব থাকে। গায়ের জোরে কিছু হবে না এখানে। ভান্ডারা আমাদের কাছেও আছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যেমন আছে, তেমন আপনাদের দুর্নীতির ভান্ডারাও আছে। খুলে দেব, সব ফাঁস করে দেব।”
প্রসঙ্গত, আগেও একাধিকবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার তিনি আবারও বললেন, “নির্বাচন এলেই দেখবেন এজেন্সির দাপাদাপি বাড়ে। আগে কোন দল কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করত না। কিন্তু বিজেপি আসার পর নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক হাতিয়ার। যদিও নির্বাচন কমিশনের চেয়ারকে আমি সম্মান করি”।
