ওঙ্কার ডেস্ক: সোমবার সকাল বেলা খাস কলকাতার বুকে ঘটে গেল ভয়ংকর দুর্ঘটনা। হেস্টিংস চত্বরে রাস্তার ধারে থাকা বাতিস্তম্ভের আলো খুলে পড়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়। মৃত শিশুর নাম গুড়িয়া খাতুন। জানা গিয়েছে, হেস্টিংসে উড়ালপুলের তলায় সাত বছরের শিশুটি পরিবারের সঙ্গে থাকত। এ দিন সকালে হঠাৎ রাস্তার পাশে থাকা একটি বাতিস্তম্ভের মাথার অংশটি খুলে পড়ে। শিশুটির মাথার উপরে পড়ে সেটি। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্য হয় বলে খবর। দীর্ঘদিন ধরে এই বাতিস্তম্ভের কোনও রক্ষণাবেক্ষণ হয় না বলে দাবি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৭টা নাগাদ মধ্যে হঠাৎ করেই একটি বিকট শব্দ হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাতিস্তম্ভের একেবারে উঁচুতে থাকা ভারী আলোর সেট সরাসরি এসে পড়ে ঠিক গুড়িয়ার গায়ের উপরে। বিশালাকার এবং অত্যন্ত ভারী ওই আলোর আঘাতে নিমেষের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ফুটফুটে শিশুটি। তার মাথায় ও শরীরে গুরুতর চোট লাগে। নিহত বালিকার বাবা পেশায় একজন দিনমজুর। ঘটনার সময় তিনি কিছুটা দূরে ছিলেন। ভাগ্নের কাছ থেকে মেয়ের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তিনি তড়িঘড়ি উড়ালপুলের নিচে ছুটে আসেন। এসে দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় নিথর হয়ে পড়ে রয়েছে বালিকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় রক্তাক্ত গুড়িয়াকে উদ্ধার করে এসএসকেএমের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ওই ছয় বছরের শিশুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাথায় অতিরিক্ত আঘাত এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছিল।
নিহত বালিকার বাবা পেশায় একজন দিনমজুর। ঘটনার সময় তিনি কিছুটা দূরে ছিলেন। ভাগ্নের কাছ থেকে মেয়ের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তিনি তড়িঘড়ি উড়ালপুলের নিচে ছুটে আসেন। এসে দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় নিথর হয়ে পড়ে রয়েছে বালিকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় রক্তাক্ত গুড়িয়াকে উদ্ধার করে এসএসকেএমের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ওই ছয় বছরের শিশুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রশ্ন উঠেছে বাতি স্তম্ভের নিরাপত্তা নিয়ে। মুলত এই স্তম্ভ গুলি চারটে করে নাটের সাহায্যে আটকানো থাকে। সব জায়গায় দুইটি নাটের মাধ্যমে লাগানো ছিল লাইটটি। ঘটনাটির তদন্ত করছে পুলিশ।