স্পোর্টস রিপোর্টার : গতবছর কসবার ল কলেজে তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের মনোজিৎ মিশ্রর ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় তোলপাড় হয়ে ওঠে রাজ্য। এবার বাংলা ক্রিকেটেও সেই মনোজিৎ কাণ্ড। মনোজিৎ মিশ্র না হলেও তিনিও এম এম। অর্থাৎ এম এম কাণ্ড সিএবিতে। সিএবি কর্মী মনোজিৎ মল্লিকের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করলেন পঙ্কজ পুত্র এবং সি এ বি র বর্তমান অ্যাপেক্স কাউন্সিল সদস্য প্রণব রায়।
কিছুদিন আগে অবহেলায় পালন করা হয়েছিল বাংলার কিংবদন্তী ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়য়ের জন্মদিন। সেই অনুষ্ঠানে ব্যবহার হয়েছিল বাসি ফুল। আর সেই ঘটনার সত্যতা যাচায় করতে সি এ বির র কাছে সিসিটিভি ফুটেজ চেয়ে মেল করেছিলেন প্রণব বাবু। আর তারপরেই নিজের ফেসবুক পেজে প্রণব সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করেন সি এ বি র মিডিয়া কর্মী মনোজিৎ মল্লিক । সিএবি কর্মী ফেসবুক পোস্ট করে লেখেন কেন তিনি সিএবির কাছে সিসিটিভি ফুটেজ চেয়েছেন, কেন ‘আমন্ত্রণ’ তিনি দেখেও দেখেননি, কী ভাবে সিএবি আধিকারিকদের ফোনের অপেক্ষায় না থেকে তিনি ‘কোটা’-র টিকিট তুলতে চলে আসেন– সব কিছু নিয়ে প্রণবকে আক্রমণ করে বসেন ওই সিএবি কর্মী। যার পরিণতি হিসেবে দশ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের। আদালতের অন্তবর্তিকালীন আদেশ।সম্মানহানি হয়েছে এমন দাবি করে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেন পঙ্কজ পুত্র প্রণব।
মামলার অন্তরবর্তীকালীন আদেশও পেয়ে গিয়েছেন প্রণব। প্রণব রায় জানান,”ওকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে লেখা হয়েছে, এই ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। ছেলেটি আমার বাবার, আমার সম্পর্কে জানেন না। আমার পরিবারকে কেউ কটু কথা বলে অপমান করে তাকে ছাড়বো না।সি এ বি মিথ্যের ওপর চলছে। বাবার জন্মদিন অনুষ্ঠানের মঞ্চটা নাকি বাসি ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল। এমন খবর ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছিল। সেই ঘটনার সত্যিটা জানার জন্য সিসিটিভি’র ফুটেজ চেয়ে আমি খুব ভুল কাজ করেছি?”
প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বর মাসে সি এ বির এর নতুন কমিটি গঠন হওয়ার পর এই মনোজিৎ এক শীর্ষকর্তাকে ধরে সি এ বিতে চাকরি পান।তারপর থেকে সিএ বি নিয়ে কিছু নেতিবাচক স্টোরি করলেই মনোজিৎ এফবি পেজে সক্রিয় হয়ে ওঠেন।
প্রশ্ন একটাই। CAB কর্মী হয়ে এমনটা করতে পারেন তিনি? প্রণব রায় বা কাউকে অপমান করতে পারেন। অতীতে সি এ বিতে বসে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা যেমন সজল ঘোষকে নির্বাচনের আগে ফেসবুক থেকে আক্রমণ করেন এই মনোজিৎ। কোন জায়গায় বেশিদিন তার চাকরি স্থায়ী হয় না। সিএবির শীর্ষকর্তাকে একপ্রকার ভুল বুঝিয়ে চাকরিতে ঢুকে তাঁদের গুডবুকে থাকতেই এমন করে বলে অভিযোগ। যদিও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মনোজিৎ ফোন ধরেননি।