ওঙ্কার ডেস্ক: ভোট মেটার আগেই গ্রেফতার হয়েছিল আই প্যাকের সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেলকে। এবার রীতিমত কার্যক্ষমতা বন্ধ হয়েছে আই প্যাকের। ভোটের মাঝপথেই সল্টলেকের অফিসে আচমকা তালা ঝুলিয়ে কর্মীদের ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই অফিস আর খোলেনি। উলটে জানা যাচ্ছে, অফিস বন্ধ থাকা অবস্থাতেই কলকাতার বহু কর্মীকে ছাঁটাইয়ের নোটিশ ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, সংস্থায় তাঁদের আর প্রয়োজন নেই। বাকি কিছু কর্মীকে দক্ষিণ ভারতে বদলি করে দেওয়া হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই, আই-প্যাকের এই ডেরা তোলার আবহেই গতকাল শাসকদলের অন্দরের ক্ষোভ যেন বারুদ হয়ে ফেটে পড়েছে। বর্ষীয়ান সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির কাছে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। চিঠিতে পরাজয়ের ‘নৈতিক দায়’ নেওয়ার কথা বলা হলেও, তাঁর আসল নিশানা যে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাক, তা জলের মতো পরিষ্কার। চিঠিতে নজিরবিহীন আক্রমণ শানিয়ে কাকলি স্পষ্ট লিখেছেন, “ভুঁইফোঁড় সংস্থা দিয়ে কঠিন কাজ হয় না।” ২০২৬ সাকলের বিধান সভা নির্বাচনের মাঝেই একেবারে মুখ থুবড়ে পড়েছে ঘাসফুলে। গত ৮ জানুয়ারি সল্টলেকের আই-প্যাক দফতর এবং সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। সেই সময় এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছিল কলকাতা। ইডি তল্লাশি চলাকালীন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের নিয়ে প্রতীকের বাড়িতে হাজির হন। অভিযোগ ওঠে, তল্লাশি চলাকালীনই সেখান থেকে ল্যাপটপ, ফাইল ও নথিপত্র বের করে আনেন তিনি। এই ঘটনা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত জল গড়ায়।