স্পোর্টস রিপোর্টার : ভিআইপি রোড পারাপারের জন্য লেকটাউনের যে এলাকায় ভূগর্ভস্থ পথ তৈরি হয়েছে, তার উপরের অংশে বসানো রয়েছে মেসির মূর্তি। গত বছরের ডিসেম্বরের মেসির কলকাতা সফরের সময়ে এই ৭০ ফুটের মূর্তি উন্মোচন হয়। এরপর মূর্তিটিকে নিয়ে নেট দুনিয়ায় বিতর্ক দেখা দেয়। অনেকের মতে, আর্জেন্টিনীয় ফুটবলতারকার ওই মূর্তির মুখের গড়ন মেসির মুখের সঙ্গে খুব একটা যায় না। বরং দাবি, এই মূর্তি দেখতে নাকি অনেকটা বলিউড অভিনেতা হৃতিক রোশনের মতো। বিতর্কিত সেই মূর্তি ঘিরে সোমবার দুপুরে ঢি ঢি পড়ে যায়।
পথ চলতি মানুষের নজরে আসে, লেকটাউনে লিয়োনেল মেসির মূর্তি হাওয়ায় নড়ছে। এই মর্মে এদিন দুপুরে খবর যায় থানায়। পথচলতি মানুষ এবং স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে বিষয়টি দেখেন। তাঁরাই খবর দেন লেকটাউন থানায়। পুলিশও খবর দেয় পূর্ত দফতরে। পরে পুলিশ এবং পূর্ত দফতরের কর্মীরা লেকটাউনে গিয়ে ওই মূর্তি খতিয়ে দেখেন।
পূর্ত দফতরের ঠিকাদার প্রবীর পালও যান লেকটাউনে। তাঁর দাবি, মূর্তির ‘ফাউন্ডেশন বোল্ট’-এ গোলমাল রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তাঁরা ইতিমধ্যে বিষয়টি জানিয়েছেন। ঠিকাদারের দাবি, মূর্তিটি বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। যে কোনও সময়ে তা পড়ে যেতে পারে। তাই ওই এলাকা থেকে মূর্তিটি সরিয়ে নেওয়া উচিত বলেই মনে করছেন তিনি।
ওই ঠিকাদার বলেন, “এখানে এসে দেখলাম, মেসি পুরো দুলছে। হাওয়া দিলেই দুলছে। পা দু’টো উঁচুনীচু হয়ে একবার উঠছে, একবার নামছে। এর জন্য যে কোনও সময়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। হাওয়ায় পড়ে যেতে পারে নীচে। আমরা রিপোর্ট দেব। তার পরে যা জানানো হবে, সেই অনুযায়ী কাজ করা হবে।”
লেকটাউনের ওই মূর্তি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “এখান থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত। এখানে কী অবস্থায় ফাউন্ডেশন বোল্ট রয়েছে, তা তো আমরা জানি না। অতএব, ফাউন্ডেশন বোল্ট নতুন করে করলে এগুলো ঠিক থাকবে। তা ছাড়া এগুলো যে কোনও মুহূর্তে উল্টে যেতে পারে।”