ওঙ্কার ডেস্ক: অবশেষে দীর্ঘ জট কাটিয়ে EIMPA র অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি নির্বাচিত হলেন রতন সাহা। তিনি SSR মিডিয়ার কর্নধার। দীর্ঘদিনের সিনেমার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তিনি ও তাঁর পরিবার৷ রতন সাহা ও তাঁর পুত্র শতদীপ সাহা অজন্তা ও গ্লোব সিনেমা হলের মালিক৷ ইম্পার জটিলতা কাটিয়ে সদস্যের সমর্থনে তাঁকে আপাতত সভাপতি করা হল। যদিও তিনি অন্তর্বর্তী সময়ে থাকবেন৷ এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টলিউডের অন্যতম পরিচিত পরিচালক গৌতম ঘোষসহ বহু পরিচিত মুখেরা। এদিন রতন সাহা জানান, তিনি সিনেমার স্বার্থে কাজ করবেন। সিনেমা দর্শকের কাছে যাতে সুষ্ঠু ভাবে পৌঁছতে পারে সেদিকে তিনি কোঠর ভাবে নজর দেবেন। সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়নের জন্যই আগামী দিনে তিনি কাজ চালিয়ে যাবেন।
পাশাপাশি, পরিচালক গৌতম ঘোষ জানান, বহু দিন ধরেই ইমপার অন্দরে দ্বন্দ্ব চলেছে। সেকারণেই যাতায়াত কমিয়ে দিয়েছিলাম। এছাড়াও তিনি বলেন, নতুন সভাপতি নিশ্চয়ই সকলের জন্য কাজ করবেন, যারা বহুদিন ধরে বঞ্চিত তাঁদেরও কাজে ফেরাবেন। আগামী দিনে নিশ্চয়ই নিয়ম মেনেই সভাপতি নির্বাচিত হবে। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি হিসেবে রতনবাবুকেই নির্বাচন করা হয়েছে।
গত শুক্রবার ইমপার অফিসে কার্যত ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। দুই পক্ষের মিটিংয়ের মাঝে পথেই বেরিয়ে আসেন পিয়া সেনগুপ্ত। যদিও পরে ফের মিটিং শুরু হয়। কিন্তু কোনও ভাবেই পদত্যাগ করতে রাজি হননি পিয়া। তিনি আইনি পথে হাঁটার কথাও জানান সংবাদমাধ্যমে। তারপরেই ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসতে গেলে চোর চোর স্লোগান ওঠে ইমপার অফিস। মুহুর্তের মধ্যে তুমুল ধস্তাধস্তি, হুলুস্থুলু কাণ্ড ঘটে। সেসময় শারীরিক ভাবে অসুস্থ বোধ করতে থাকেন পিয়া সেনগুপ্ত।
সোমবার ইম্পার সদস্যরা জানিয়েছেন ভবিষ্যতে স্বচ্ছ পদ্ধতিতে ভোট হলে স্থায়ী সভাপতি নির্বাচন হবে। ততদিন পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে থাকবেন রতন সাহা। যদিও রতন সাহাকে সভাপতি হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকার ইম্পার আগের সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের। ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই ইম্পার অশান্তির জের। দু’পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির অভিযোগ। পরে থানায় অভিযোগও করেন পিয়া৷ বর্তমানে এই ঘটনার জল কতদুর গড়ায় সেদিকেই তাকিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল।