ওঙ্কার ডেস্ক: ৯ মে শপথ নিয়েছে বিজেপি সরকার। তার পর থেকেই একে একে প্রকাশ পাচ্ছে বিজেপির মন্ত্রীসভা। ৯ মে শপথের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহণ করেন শুভেন্দু অধিকারী তার সঙ্গেই শপথ গ্রহণ করেন অগ্নিমিত্রা পল থেকে শুরু করে অশোক কীর্তনিয়া। এরপরও খালি পরে আছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীপদ। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ হল শিক্ষামন্ত্রীর পদ। সুত্রের খবর, বাম আমলের মত বিজেপি শিক্ষা দফতরকে দুই ভাগে ভাগ করতে চাইছে। বাম আমলে দীর্ঘ প্রায় তিন দশক ধরে প্রাথমিক ও স্কুল শিক্ষার দায়িত্বে ছিলেন কান্তি বিশ্বাস। ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ছিলেন পার্থ দে। উচ্চশিক্ষামন্ত্রী ছিলেন সত্যসাধন চক্রবর্তী, সুদর্শন রায়চৌধুরী। ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর প্রথম দিকে স্কুল শিক্ষামন্ত্রী হন রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। উচ্চশিক্ষার দায়িত্ব পান ব্রাত্য বসু। পরে দুটি দফতর মিলিয়ে দিয়ে শুধুমাত্র শিক্ষা দফতর করা হয়। একজন পূর্ণমন্ত্রীকেই তার ভার দেওয়া হয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও ব্রাত্য বসু ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। এবার তাতে বদল আসছে। ফের দুই শিক্ষাদপ্তরের ভার দেওয়া হতে চলেছে পৃথক মন্ত্রীদের উপর।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে বঙ্গ বিজেপি ব্যবহার করছে ‘ধিরে চল নীতি’ এর ফলে মন্ত্রী নির্বাচনে তাড়াহুড়ো না করতে। শুভেন্দু অধিকারী সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের কাজ হবে শিগগিরই। নতুন মন্ত্রীদের তালিকাও কার্যত চূড়ান্ত। চলতি সপ্তাহে তা পৌঁছে যাবে রাজভবনে। চমক থাকলেও মন্ত্রিসভার কলেবর হবে ছোট। তবে রাজ্যের প্রতিটি এলাকা এবং জাতি-উপজাতির প্রতিনিধিত্ব রেখেই মন্ত্রীদের নাম আলোচনা করা হয়েছে। যেহেতু জয়ী বিধায়কদের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, তাপস রায় এবং নিশীথ প্রামাণিক ছাড়া রাজ্য বা কেন্দ্রে মন্ত্রিত্বের অভিজ্ঞতা বাকিদের নেই, তাই মন্ত্রিত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্ব পেয়েছে প্রশাসনিক কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে দক্ষতা। এছাড়া মন্ত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বেশ কিছু বিষয়ও মাথায় রেখেছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি সুত্রে জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারী সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের কাজ হবে শিগগিরই। নতুন মন্ত্রীদের তালিকাও কার্যত চূড়ান্ত। চলতি সপ্তাহে তা পৌঁছে যাবে রাজভবনে। চমক থাকলেও মন্ত্রিসভার কলেবর হবে ছোট। তবে রাজ্যের প্রতিটি এলাকা এবং জাতি-উপজাতির প্রতিনিধিত্ব রেখেই মন্ত্রীদের নাম আলোচনা করা হয়েছে। যেহেতু জয়ী বিধায়কদের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, তাপস রায় এবং নিশীথ প্রামাণিক ছাড়া রাজ্য বা কেন্দ্রে মন্ত্রিত্বের অভিজ্ঞতা বাকিদের নেই, তাই মন্ত্রিত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্ব পেয়েছে প্রশাসনিক কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে দক্ষতা। এছাড়া মন্ত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বেশ কিছু বিষয়ও মাথায় রেখেছে বিজেপি নেতৃত্ব।