ওঙ্কার ডেস্ক: বামেদের ডাকা মিছিল থেকে শুক্রবার পুলিশকে লক্ষ্য করে আক্রমণের চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় এবার তৎপরতা বাড়াল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার ঘোষণা করেন ধর্মতলায় ওই বিক্ষোভ থেকে গোলমালের ঘটনায় ৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া মোট মামলা হয়েছে সাতটি। গুন্ডা দমন আইনেও মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
নিট ইউজি প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্না অবস্থান জারি রেখেছে ককরোচ জনতা পার্টি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শুরু হওয়া সেই আন্দোলনের আঁচ পড়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। শুক্রবার কলকাতায় বাম ছাত্র সংগঠনগুলির ডাকে মহা মিছিল হয় মহানগরে। সেই মিছিল থেকে ধর্মতলায় পুলিশকে লক্ষ্য করে আক্রমণের চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। এ বিষয়ে শনিবার বিধানসভায় অসন্তোষ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সাংবাদিকদের উপর যে হামলা হয়েছে তা নিন্দাজনক। তাঁর কথায়, ‘পুলিশ সংযত ছিল, সেটা সবাই দেখেছে। তেমনই নির্দেশ দেওয়া ছিল। তারা কোনও ফাঁদে পা দেয়নি। মিছিল ডোরিনা ক্রসিংয়ে আসার পর জুতো আর বোতল ছোড়া শুরু হয়। সাংবাদিকদের আক্রমণ করা হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করুক এটাই চাইছিল বিক্ষোভকারীরা। কিন্তু পুলিশ সেই সুযোগ দেয়নি। ছ’জন সাংবাদিক জখম হয়েছেন।’
মুখ্যমন্ত্রী জানান, গোলমালের ঘটনায় যে ৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাঁরা কেউ ছাত্র নন। এমনকি ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গেও তাদের যোগ নেই। পাঁচ দুষ্কৃতীর কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, ‘রাজাবাগানের আফরোজ, খিদিরপুরের নাহিদ, একবালপুরের তনবীর এবং নিজাম, ওয়াটগঞ্জের রাহুল জামাল। গুন্ডাদমন আইনে এমন ব্যবস্থা নেব, যাতে এক দিন নয়, গুন্ডাদের তিন পুরুষ মনে রাখবে।’