ওঙ্কার ডেস্ক: ‘আমি সমস্ত কিছুই জানি, এটা আপনাদের পাপের ফল। সব জায়গা থেকে টাকা নিতে নিতে এই সিটি অফ জয়কে মৃত্যুকুপে পরিণত করেছেন৷ প্রাক্তন মেয়রের সই আছে এতে। কাউকে ছাড়া হবে না। ইঞ্জিনিয়ার যাদের নাম আছে তাদের ছাড়া হবে না। গার্ডেনরীচে বিল্ডিং ভেঙে যাওয়ায় মুর্শিদাবাদের অনেকজন মারা যায়। যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটার৷ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছি। আসগরকে খুঁজছি। চাইব যাতে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে পারি৷ কালি’কে খুঁজে বার করছি। ক্যামাক স্ট্রিটে ২০০ কোটি জমা দিয়েছে। সব জানি।’’
তারাতলায় নির্মীয়মাণ গোডাউন ভেঙে পড়ে মৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে প্রশাসন৷ এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী মারা গিয়েছেন ১১ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন আয়ান ট্রেডার্সের সুপারভাইজার গুলজার হুসেন, লোহার কাঠামো নির্মাতা কমল সামন্ত, জমির লিজগ্রহীতা সম্ভুনাথ বেহেরা, শ্রমিক সরবরাহকারী তথা ট্রাইমেক্স কন্ট্রাক্টর দিবাকর ভান্ডারি এবং কেএমসি-র স্যাংশন প্ল্যানের দালাল আব্দুল হামিদ৷ এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখে উঠে এল একটা নাম৷ কালী৷ বললেন, ‘‘আপনার কেএমসি-তে কী হয়েছে জানি না৷ কালীকে খুঁজলে সব বেরিয়ে যাবে৷’’ তার সঙ্গে কলকাতা পুরসভায় বিভিন্ন বিল্ডিং প্ল্যানের অনুমোদনে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলেও বিধানসভায় দাঁড়িয়ে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। কালী নামের এক ব্যক্তির সমস্ত প্ল্যান অনুমোদনের পিছনে কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কলকাতা পুরসভায় কী হয়েছে আমরা জানি না? কালীকে ধরলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে। কালী না বললে কোনও প্ল্যান হয় না। কালীই বাইপাসের ধারে তৃণমূল ভবন বানাচ্ছে। এফআইআর হয়েছে, ব্যবস্থা নিচ্ছি।” এর পাশাপাশি বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী কে ধন্যবাদ দিয়েছেন তিনি।