ওঙ্কার ডেস্ক: ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর লাফিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। বৃহস্পতিবার দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর অন্তত ১৬৪ জন নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি আহত হয়েছেন ৯৭১ জন। যাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এর আগে রদ্রিগেজ জানিয়েছিলেন বুধবার সন্ধ্যায় আঘাত হানা ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার জোড়া ভূমিকম্পে অন্তত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত এক শতাব্দীর মধ্যে ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে অন্যতম এদিনের কম্পন দুটি। দেশটির রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার দূরে ব্রাজিলের আমাজন অঞ্চলেও বহুতল থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, লা গুয়াইরা প্রদেশে ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে ধুলোমাখা অবস্থায় তিন শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এই এলাকাকে ‘দুর্যোগপূর্ণ অঞ্চল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বুধবার সন্ধ্যার ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি এই এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বুধবার গভীর রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন রদ্রিগেজ। সেই সময় তিনি দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট জানান, ভূমিকম্পের ফলে বেশ কয়েকটি প্রদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আহতদের সাহায্যের জন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের হাসপাতালে থাকার আর্জি জানান তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে হতাহতের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন—যার মধ্যে অন্তত ৭০০ আহতের তথ্য ছিল। তাতে লা গুয়াইরার হিসাব অন্তর্ভুক্ত ছিল না। কারাকাসের উত্তরে উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত এই এলাকার পরিসংখ্যান যুক্ত করলে মৃত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।